Sajek Valley

Sajek Valley

সাজেক ভ্যালি(Sajek Valley) অতি সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে অতি প্রিয় গন্তব্য স্থল সাজেক। এটি বাংলাদেশের রাঙ্গামাটির জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন হিসেবে খ্যাত। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে সাজেকের উচ্চতা 1800 ফুট উঁচু। সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার হলেও এটি খাগড়াছড়ির দিঘীনালা থেকে অনেক কাছে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই সহজ। দীঘিনালা থেকে সাজেক এর দূরত্ব মাত্র 40 কিলোমিটার এবং খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক এর দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার। আপনি যদি সত্যিকারে সাজেকে যেতে চান, তাহলে বাঘাইহাট থেকে আর্মি ক্যাম্প অথবা পুলিশ ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিতে হবে।

সাজেকে গিয়ে কি কি দেখতে পাওয়া যাবে?

সাজেকের(sajek valley resort) চারপাশে মনমুগ্ধকর পাহাড়ের সারি এবং সাদা তুলার মত মেঘের ভেলা আপনাকে মোহিত করবেই। সাজেক খুবই আশ্চর্যজনক স্থান তাই একই দিনে প্রাকৃতিক তিন রকম রুপের ছোঁয়ায় আপনাকে চমৎকৃত করবে। কখনো আপনার চারপাশ ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাবে কখনো গরম অনুভূত হবে হয়তোবা হঠাৎ হঠাৎ আপনি বৃষ্টিতে ভিজে যাবেন। এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড় তুলার মত মেঘের পুরো খেলা দেখতে পারবেন।

সাজেকে ভ্রমণে আসা ভ্রমণ প্রেমিকদের কাছে প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে কঙ্কাল পাহাড়। সাজেক ভ্যালি কংকাল পাড়া গ্রামের লুসাই জনগোষ্ঠী দ্বারা অধ্যুষিত হচ্ছে এলাকাটি। আমাদের দেশের কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের লুসাই পাহাড় টি এই কঙ্কাল পাড়া গ্রাম থেকে দেখা যায়। যদি কমলোক ঝরনা দেখতে চান তাহলে রুইলুই পাড়া থেকে আপনাকে 2 ঘণ্টার ট্রেকিং করতে হবে। অনেকের কাছে সুন্দর ঝর্ণাটি সিকাম তৈশা বা পিদাম তৈসা নামে পরিচিত।

শিল্পীর তুলিতে আঁকার মতোই সাজেক ভ্যালি আপনার কাছে দিনে অথবা রাত অপরূপ মনে হবে। সময় গড়ে যাচ্ছে তবুও সাজেক যেন দিন দিন আরো নতুন হয়ে উঠছে। সাজেকে গেলে অবশ্যই সকালের সূর্যোদয় এবং মেঘের খেলা কখনো মিস করবেন না। কারণ এই সময়টাতে মেঘের খেলা এবং সূর্য উদয় ঘটে। তাই এই খেলাটি দেখতে হলে অবশ্যই আপনাকে খুবই ভোরে উঠতে হবে এবং এর জন্য রওনা দিতে হবে হেলিপ্যাডে। কারণ এই জায়গা থেকে সূর্য উদয় খুবই সুন্দর ভাবে দেখা যায়। যদি সূর্যাস্তের রঙ্গিন রূপ দেখতে চান তাহলে অবশ্যই সাজেকের কোন উঁচু স্থান থেকে দেখতে হবে। যদি রাতের আকাশের কথা বলি তাহলে সন্ধ্যার পর আকাশে কোটি কোটি তারার মেলা আপনাকে বিমোহিত করবে। রাতের আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে তাহলে দেখতে পাবেন মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ। পাহাড়ি অঞ্চলের আদিবাসীদের যদি জীবনযাত্রার মান দেখতে চান। তাহলে আপনাকে চারপাশটা ঘুরতে হবে তাহলে আদিবাসী মানুষের সান্নিধ্য আপনাকে অনেক ভালো লাগবে। যদি হাতে আরো অনেক সময় থাকে তাহলে সাবেক থেকে ফেরার পথে আরো ঘুরে আসতে পারেন দীঘিনালা ঝুলন্ত ব্রিজ দীঘিনালা বন বিহার এবং হাজাছড়া ঝর্ণা।

কখন সাজেক ভ্রমণের উপযুক্ত সময়?

বর্ণিল সাজে সারা বছরই সাজেক সাজিয়ে থাকে তাই সাজাকের রূপের তুলনা হয় না। বছরের প্রতিটি সময়ে আপনি সাজেক ভ্রমণ করতে পারেন তবে শরৎ, বর্ষা ও হেমন্তে সাজেকের চারপাশে মেঘের খেলা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তাই সাজেক ভ্রমণের এটাই সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত সময়।

সাজেকে যাওবার সহজ উপায়?

যেহেতু খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা থেকে সাজেকের দূরত্ব খুবই কম তাই আপনি তাড়াতাড়ি যাবার জন্য খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা হয়ে যাবেন। সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার হলেও এটি রাঙ্গামাটি থেকে প্রায় অনেক কিলোমিটার দূরত্বে। এজন্য প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে। আপনি যে কোন জেলার ই হোন না কেন। আমি ঢাকার কথা বলব ঢাকা থেকে প্রায় অনেকগুলো বাস পাওয়া যায় তার মধ্যে শান্তি পরিবহন, শ্যামলী, এস আলম পরিবহন, ঈগল পরিবহন এবং সৌদিয়া পরিবহন বাস উল্লেখযোগ্য। এসি নন এসি বাসের পার্থক্য অনুসারে ভাড়ার পার্থক্য হয়ে থাকে। নন এসি বাসের ভাড়া প্রায় পাঁচ শত বিশ টাকা ও এসি বাসের ভাড়া 700 টাকা। এসি বাসের মধ্যে বিআরটিসি এবং সেন্টমার্টিন পরিবহন খুবই ভালো। এসব বাসের কাউন্টার ঢাকা গাবতলী কলাবাগান সহ বিভিন্ন প্রান্তে এসব বাস কাউন্টার রয়েছে।

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক এর মোট দূরত্ব মোটামুটি 70 কিলোমিটার। সাজেক ভ্যালি যেতে তাদের গাড়ি অথবা জিপ গাড়ি ভাড়া নিয়ে যেতে পারেন। আসা যাওয়া থেকে শুরু করে দুই দিনের মোট ভাড়া নিবে 8000 থেকে 10000 টাকা। তবে একটি গাড়িতে আপনারা মোট 12 থেকে 15 দিন যেতে পারবেন। যদি আপনাদের লোক কম হয় তাহলে অন্য গুরুপের সাথে কথা বলে শেয়ার করে গাড়ি নিলে আপনাদের খরচ অনেক কম পড়বে। যদি তাও সম্ভব না হয় তাহলে সিএনজি দিয়ে সাজেকে যেতে পারেন সে ক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ৪০০০ থেকে 5 হাজার টাকা। কিন্তু পাহাড়ের রাস্তা অনেক উঁচু নিচু হওয়ার ফলে সিএনজি দিয়ে ভ্রমণ না করাই ভালো।

আপনারা যদি দুই-তিনজন হয়ে থাকেন তাহলে খাগড়াছড়ি শাপলা চত্বর থেকে অনেক গুরুপ পাওয়া যায়। সেসব গুরুপের সাথে কথা বলে তাদের গাড়ি শেয়ার করতে পারেন অথবা জীব সমিতির সাথে কথা বললে উনারা যে কোন গুরুপের সাথে ম্যানেজ করে দেবে।

প্রথমে ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি গিয়ে সেখান থেকে দীঘিনালায় গিয়ে তারপর সেখান থেকে সাজেকে যেতে পারবেন। খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালার ভাড়া বাসে মাত্র 35 টাকা এবং মোটরসাইকেলে যদি যান তাহলে জনপ্রতি 100 টাকা করে লাগবে। কারণ খাড়াছড়ি থেকে দিঘীনালার দূরত্ব মাত্র ২৩ কিলোমিটার। যদি কারো সাথে ভাড়া শেয়ার করতে না পারেন অথবা আপনার সামর্থ্য থাকে। তাহলে একাই মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে সাজেক ঘুরে বেড়াতে পারেন। তবে যে কোন গাড়ি ঠিক করার আগে কোন জায়গা গুলো ঘুরে দেখবেন এবং আপনার পুরো প্লান গুলো আগে থেকে ঠিক করবেন তারপর গাড়ী ঠিক করবেন। আপনাকে সবসময় মনে রাখতে হবে আপনি যে জায়গা থেকে যান না কেন।

আপনাকে দীঘিনালায় দশটার আগেই পৌঁছাতে হবে। কারণ বাকি রাস্তা নিরাপত্তার জন্য সেনা বাহিনীর এসর্কোটে গিয়ে এসর্কোট গ্রহণ করতে হবে। সেনাবাহিনীর দিনে মাত্র দুই বারই এসর্কোট দিয়ে থাকেন। একবার হচ্ছে সকাল দশটায় এবং আরেকবার বিকালের দিকে। তাই মিস করলে আপনাকে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু যদি বিকেলের তাও মিস করেন, তাহলে পরের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এই এসর্কোট ছাড়া কোনভাবেই ওই জায়গায় যাওয়ার অনুমতি পাবেন না। দিঘীনালা ঘুরে দেখার পর যদি হাতে সময় পান তাহলে হাজাছড়া ঝর্ণা ঘুরে দেখতে পারবেন। খাগড়াছড়ি জেলা শহর থেকে সাজেকে যেতে আপনার সময় লাগবে দুই থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা।

 

আরো পড়ুনঃ

 

Coxsbazar sea beach

Coxsbazar sea beach

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত(Coxsbazar sea beach) বাংলাদেশ

কখনো যদি আপনাকে প্রশ্ন করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কোনটি? তাহলে আপনি উত্তর দেবেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত হলো কক্সবাজার। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আর্কষণীয় পর্যটন স্থান হলো কক্সবাজার। সময়ের সাথে প্রকৃতি বদলে যায়। বিশাল এই সাগর সৈকত দেশী-বিদেশী পর্যটকদের সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ এ এবং সূর্যাস্তের মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ রাখে। এই সৈকতটি প্রায় 120 কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত।

কখন কক্সবাজার ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়?

ভ্রমণ প্রেমীরা ভ্রমণ করার জন্য সাধারণত শীতকালই বেছে নেন। কিন্তু কক্সবাজার এমন একটি আকর্ষনীয় পর্যটন স্থান যেখানে শীতকাল ছাড়াও আপনি যে কোন সময় আসতে পারেন। সময়ের সাথে প্রকৃতি বদলে যায়। ঠিক এই প্রকৃতির সুন্দর রুপের প্রভাব বিরাজ করে এ কক্সবাজারেও। আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ ওঠে এই সুন্দর পূর্ণিমা রাতে অবশ্যই আপনাকে মুগ্ধ করবেই। তাই শরৎ এর নিঝুম বরর্ষায় অথবা শরৎ এর নীল আকাশের সাথে বন্ধুত্বের মিতালী নিয়ে আপনি চলে আসতে পারেন এই কক্সবাজারে। প্রিয় ভ্রমণ প্রেমী, যদি আপনি শীতকাল ছাড়া অন্য কোন সময়ে কক্সবাজার যেতে চান। তাহলে আপনি দুইটি সুবিধা পাবেন। একটি হলো যেকোনো হোটেলের ভাড়া অনেক কম সেই সাথে অন্যান্য দূর্বাদির দাম খুবই কম। তাই আপনার ভ্রমণের বাজেট যদি খুবই কম হয়ে থাকে এবং আপনার ভ্রমণ এর শখ থেকে থাকে তাহলে আপনি শীতকাল ছাড়া অন্য কোন সময়ে কক্সবাজারে আসতে পারেন।

বাস দিয়ে কিভাবে কক্সবাজার যাওয়া যাবে?

আপনার এলাকা থেকে ঢাকা আসার পর। আপনি ঢাকা থেকে রেলপথ, আকাশ পথ এবং সড়ক পথে কক্সবাজার যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে কক্সবাজার গামী বিভিন্ন ধরনের বাস পাওয়া যায়। তার মধ্যে রয়েছে হানিফ এন্টারপ্রাইজ, এর আলম মার্সিডিজ বেঞ্চ, হলদিয়া, শ্যামলী পরিবহন, এস আলম, সোহাগ পরিবহন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বাস গুলোর শ্রেণীভেদে যেমন এসি নন-এসি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে প্রতিটি সিট এর ভাড়া 900 টাকা থেকে 2000 টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে।

ঢাকা থেকে ট্রেনে কিভাবে যাবেন?

অনেকেই ট্রেনে ভ্রমণ করতে খুবই ভালবাসে। তাই কক্সবাজার যাওয়ার পথে আপনি চাইলে ঢাকা থেকে ট্রেনে কক্সবাজার যেতে পারবেন। এ জন্য আপনি কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেল স্টেশন হইতে সুবর্ণ এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, তূর্ণা নিশিথ অথবা মহানগর প্রভাতী। এছাড়া রয়েছে গোধূলি তাছাড়া চট্টগ্রাম মেইলেও আপনি যাত্রা করতে পারবেন খুব সহজেই। চট্টগ্রামে ট্রেন থেকে নামার পরে নতুন ব্রিজ নামক এলাকা অথবা দামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে হানিফ, এস আলম, ইউনিক এছাড়াও আপনি বিভিন্ন নামের বাস পেয়ে যাবেন। এসব বাসের কোয়ালিটি অনুসারে বাসের ভাড়া 280 টাকা থেকে 550 টাকার মধ্যেই হবে।

ঢাকা থেকে কিভাবে বিমানে কক্সবাজার যাওয়া যায়?

যারা বিমানে ভ্রমণ করতে চান সেসব ভ্রমণ প্রেমিকদের জন্য। আপনার এলাকা বা বাসা থেকে ঢাকা আসার পরে আপনাকে আসতে হবে ঢাকা এয়ারপোর্ট। এয়ারপোর্ট থেকে চট্টগ্রামগামী বেশ কয়েকটি বিমান পাওয়া যায়। সে সব বিমানের মধ্য হল নভোএয়ার, বাংলাদেশ বিমান, ইউ এস বাংলা ইত্যাদি সহ বেশ কিছু বিমান সরাসরি ঢাকা বিমানবন্দর হইতে কক্সবাজার ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকেন। আকাশ পথে চট্টগ্রাম আসার পরে আপনি উপরে উল্লেখিত বাস এর মাধ্যমে কক্সবাজারে আসতে পারবেন।

কক্সবাজার আসার পরে কোন হোটেলে থাকবেন?

আপনি যদি আগে থেকেই হোটেল ঠিক না করে থাকেন। তাহলে কক্সবাজারে সরাসরি আসার পরে আপনি অনেক চিন্তায় পড়ে যাবেন। কোথায় ভালমানের হোটেল ও ভালো সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। তাই আপনার উচিত হবে আপনি যদি কোথাও ভ্রমন করতে চান আগে থেকেই হোটেল বুকিং দিয়ে রাখতে হবে। তাহলে সরাসরি গিয়ে হোটেলে উঠতে পারলেন এবং আপনার ভ্রমণ টা অনেক সুন্দর হবে। কক্সবাজারের উন্নতমানের হোটেল গুলো প্রায় পঞ্চাশটি হোটেলের তালিকা আমার একটি পোস্টে দেওয়া আছে। আপনি সেখান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে বুকিং দিতে পারবেন।

800 টাকা থেকে 3000 টাকার মধ্যে হোটেলঃ
ইকরা বিচ রিসোর্ট, মিডিয়া ইন, অভিসার, কল্লোল, নীলিমা রিসোর্ট, হানিমুন রিসোর্ট, উর্মি গেস্ট হাউস, কোরাল রিফ ইত্যাদি।

3000 টাকা থেকে 6000 টাকার মধ্যে হোটেলঃ
নিটোল রির্সোট, সী প্যালেস, কোরাল রীফ, সী গাল, আইল্যান্ডিয়া, ইউনি রির্সোট, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন ইত্যাদি।

800 টাকা থেকে 3000 টাকার মধ্যে হোটেলঃ
ওশেন প্যারাডাইজ, মারমেইড বিচ রির্সোট, লং বীচ, সায়মন বিচ রির্সোট, কক্স-টুডে, হেরিটেজ ইত্যাদি।

ওপরে বর্ণিত মূল্যের চেয়ে আরো কম দামের হোটেল পাওয়া যায় এজন্য আপনাকে একটু আগে থেকেই খোঁজখবর নিতে হবে। তবে অফসিজনে হোটেলের থাকার মূল্যে সাধারণত এই দামের চেয়ে অর্ধেকেরও কম থাকে। তাই সময় থাকলে কক্সবাজারে নেমে দরদাম করে হোটেল নিলে অনেক ভালো হবে। আরো কম দামে রিসোর্টে থাকতে চাইলে আপনাকে কলাতলী বিচ থেকে আর একটু দূরে লং বিচ হোটেল আছে। তার সামনে উল্টোপাশের গলির ভেতরের দিকে হোটেলগুলোতে খোঁজ নিতে পারেন। তবে মেইন রোড ও বিচ থেকে যত দূরে যাবেন হোটেলের ভাড়া সাধারণতো আরও কমে যাবে। কিন্তু হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে কখনো সিএনজি ওয়ালা রিকশাওয়ালার পরামর্শ নেবেন না। প্রয়োজনে হোটেলের ফেসবুক পেজ এবং তাদের ওয়েবসাইট থেকে তাদের তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

আপনার পরিবার নিয়ে যদি আরেকটু স্বাচ্ছন্দে ভ্রমণ করতে চান! তাহলে আপনাকে একটি ফ্লাট ভাড়া নিতে হবে। এজন্য এসি ও নন-এসি 3 থেকে 4 বেডরুম ও রান্নাঘর বিশিষ্ট একটি ফ্ল্যাটের প্রতিদিন ভাড়া হতে পারে প্রায় দুই হাজার টাকা থেকে 15 হাজার টাকার মধ্যে। তাছাড়া নিজের পছন্দ ও সাধ্যমত ভালো একটি হোটেল বা রির্সোট পেতে আপনাকে একটু খোঁজাখুঁজি করতে পারেন।

বিচ ভিউ হোটেল কী?

বিচ ভিউ হোটেল মানে এসব হোটেল হোটেল এর রুম থেকে সমুদ্র সৈকত দেখা যায়। আমাদের মাঝে অনেকেই আছে তাদের ইচ্ছা হয় যে রুম থেকেই সমুদ্র সৈকত দেখা যায়। তাই অনেকে এরকম হোটেল খুঁজে থাকে। কিন্তু এরকম হোটেলগুলোর ভাড়া অনেক বেশি হয়ে থাকে। এজন্য আপনি কম ভাড়ায় থাকতে চাইলে আপনাকে কক্সবাজারে ডালসিজনে আসতে হবে। বীচ ভিউ হোটেল বাদেও আরো কিছু রির্সোট ও হোটেল আছে। যেমনঃ হোটেল সী ক্রাউন, সাইমান, নীলিমা বিচ ও প্রাসাদ প্যারাডাইস ইত্যাদি।

কক্সবাজার ভ্রমণে কি কি করবেন?

তপ্ত বালির বিছানা, সাগরের উত্তাল জলরাশি কিংবা ঝাউবনের সারি আকর্ষণ পর্যটকদের কাছে টেনে নেবে। সাগরের জলে রোদ্রস্নান করা, বেলাভূমিতে হাঁটাহাঁটি করা কিংবা সূর্য্যাস্থের নয়ন জুড়ানো দৃশ্য গুলো প্রতিটি ক্ষণেই দেবে মানসিক প্রশান্তি। যারা সমুদ্রে নামবে, নামার আগে সতর্ক থাকবেন এবং জোয়ার-ভাঁটার সময় জানতে হবেই। প্রিয়জনদের জন্য উপহার সামগ্রী কেনার জন্য বার্মিজ মার্কেট থেকে কেনা কাটা করতে পারেন, যদি আপনার হাতে সময় থাকে। সমুদ্রের সকল রূপ উপভোগ করতে চাইলে। আপনাকে অবশ্যই সূর্য উদয় ও সূর্যাস্তের সময়টুকু বিচে কাটাতে হবে। আপনি যদি আরো বিস্মিত হতে চান তাহলে ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় সমদ্র সৈকত দেখতে হবে। যদি পূর্ণিমার রাতে যান তাহলে সন্ধ্যার পরের সময়টুকু সমুদ্র কাটাতে পারেন। আপনার সুন্দর মুহূর্ত গুলি ফ্রেমে বন্দি করে রাখতে চান, এজন্য আপনি ক্যামেরা সাথে নিয়ে যেতে পারেন। অথবা বিচ ফটোগ্রাফারদের শরণাপন্ন হতে হবে। স্পীডবোটের রাইডে যেতে চান, তাহলে ১০০ থেকে ২৫০ টাকার বিনিময়ে উত্তাল ঢেউয়ের সাথে তাল মিলিয়ে সাগরে ঘুরতে পারবেন।

কি কি খাবার কক্সবাজারে পাওয়া যায়?

কক্সবাজারে মানুষের খাদ্য দ্রব্যের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন মানের ও ধরনের খাবার পাওয়া যায়। এর জন্য কক্সবাজারে খাবারের মানে ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রেস্টুরেন্ট রয়েছে। কক্সবাজারের বিভিন্ন ধরনের মধ্যম মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে সেগুলোর মধ্য হলো ঝাউবন, পৌষি, রোদেলা, ধানসিঁড়ি, নিরিবীলি অন্যতম। সিজনের সময় রেস্টুরেন্টগুলোর খাবারের মূল্য বেশি হতে পারে এবং অফসিজনে খাবারের দাম কম হতে পারে।

নিম্নে কিছু খাবারের তালিকা ও দাম দেওয়া হলো। ভাতের মূল্য 20 থেকে 40 টাকা প্লেট, মিক্সড ভর্তা টাকা 75 থেকে 300 টাকা (আট রকমের ভর্তা)। তাছাড়া লইট্যা ফ্রাই প্রায় 100 থেকে 120 টাকা থাকবে (ছয় থেকে দশ টুকরা) এর মূল্য 150 টাকা। গরুর মাংস 150 থেকে 200 টাকা 2 জন শেয়ার করে খেতে পারবেন। রান্না করা রুপচাঁদা ফ্রাই 300 থেকে 400 টাকা ও ডালের মূল্য ৩০ টাকা ৬০ টাকা। আপনি যদি হায়দ্রাবাদি বিরানি খেতে চান তাহলে আপনাকে যেতে হবে লাবনী পয়েন্ট সংলগ্ন হান্ডি রেস্তোরাতে। প্রতি প্লেট বিরানির মূল্য মাত্র 200 থেকে 250 টাকা। তাছাড়া আশে পাশে কেওএফসিতে খেতে পারেন।

ভ্রমণ টিপস এবং ভ্রমণের সময় সর্তকতা সমূহঃ

1. যেকোন ধরণের সমস্যার সম্মুখিন হলে টুরিস্ট পুলিশের সহযোগিতা নিবেন। হটলাইন +০৮৮০১৭ ৬৯৬৯ ০৭৪০
2. বাজেট কম হলে অফসিজনে কক্সবাজার বেড়াতে যান
3. যাতায়াতের ভাড়ার ও যেকোন কিছু কেনাকাটার জন্য ঠিকমত দরদাম করে কিনবেন
4. রেস্টুরেন্টে খাবার আগে দরদাম করে খাবেন
5. হোটেল সম্পর্কে ভালো করে জেনে তারপর হোটেল ঠিক করুন
6. সাগরে নামার আগে জোয়ার-ভাটার সময় জেনে নিন

কক্সবাজারের দর্শনীয় স্থান সমূহঃ

কক্সবাজার ঘুরতে গেলে শুধুমাত্র সমুদ্র সৈকত নয়, আশেপাশের আরও বেশকিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে সেগুলো ঘুরে দেখবেন। সেজন্য আপনার নিজের সময় ও সুবিধা অনুযায়ী কক্সবাজার আসার পূর্বেই পরিকল্পনা করে নিন। কোন জায়গা গুলো ঘুরতে যাবেন। কক্সবাজারের আশেপাশের দর্শনীয় স্থান গুলির মধ্যে উল্লেখ যোগ্য স্থান হলোঃ

১. মহেশখালী
২. সেন্টমার্টিন
৩. হিমছড়ি
৪. রামু বৌদ্ধ বিহার
৫. ইনানী সমুদ্র সৈকত
৬. রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড
আরো কম খরচে যদি কক্সবাজার ভ্রমণ করতে চান তাহলে আমাদের এই ব্লগ পড়ুনঃ স্বল্প খরচে কক্সবাজার ভ্রমণ

 

আরো পড়ুনঃ

২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

সম্মানিত শিক্ষার্থীবৃন্দ, আসসালামু-আলাইকুম। আপনাদের সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে।  আপনাদের ২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস এবং সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষার শুরু হবে।  আগামী ২০/০৪/২০১৯ ইং তারিখ হইতে। যা নিম্নোক্ত তারিখ এবং সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হইবে। কিন্তু পরীক্ষার সময়সূচি চেন্জ করার অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে থাকেন। এজন্য পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রতিদিন অন্তত ৩ বেলা, যেমন সকাল, দুপুর, রাত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখিত ওয়েবসাইট ভিজিট করতে বলা হল।

২০১৮ সালের ডিগ্রির প্রথম বর্ষের পরীক্ষার রুটিন কিভাবে ডাউনলোড করা যায়?
ডিগ্রি প্রথম বর্ষের রুটিন ২০১৯ পিডিএফ ডাউনলোড করতে হবে। ডিগ্রি প্রথম বর্ষ অর্থাৎ,২০১৮ সালের যারা নিয়মিত/ অনিয়মিত এবং প্রাইভেট ছাত্রছাত্রীদের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের পরীক্ষার শুরু হবে। আগামী ২০-০৪-২০১৯ ইং তারিখে। এই বিজ্ঞপ্তিটি গত ২৭ মার্চে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছেন। এই ডিগ্রি প্রথম বর্ষ ২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস এবং সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষা নিম্নোক্ত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

degree Exam routine 2019

ডিগ্রি পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য ও নির্দেশনাবলী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.nu.edu.bd এবং www.nu.edu.bd এ পেয়ে যাবেন।

ন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি ডিগ্রী প্রথম বর্ষের রেজাল্ট ২০১৯ কিভাবে দেখা যাবে?
মেসেজ এর মাধ্যমে ডিগ্রী রেজাল্ট ২০১৯ পেতেঃ
এসএমএস এর মাধ্যমে ডিগ্রি রেজাল্ট 2018 পেতে নিম্নোক্ত ধাপ অনুসরণ করুন।
আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুনঃ NU স্পেস DEG স্পেস আপনার রেজিস্ট্রেশন/রোল নম্বর এবং পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ এই নম্বরে।
উদাহরণঃ NU DEG 745241 send 16222

শিক্ষার্থী বন্ধুরা, এই রুটিন সম্পর্কে যদি কোন মতামত অথবা প্রশ্ন থেকে থাকে। তাহলে, আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন। ও হ্যাঁ, আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ভিজিট করতে পারেন। সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন।

গ্রহাণুবলয় কী, মূল্যবান ধাতু ও সম্পদে ভরপুর গ্রহাণুবলায়

গ্রহাণুবলয় কী, মূল্যবান ধাতু ও সম্পদে ভরপুর গ্রহাণুবলায়

গ্রহাণুবলয় কী? কিভাবে গ্রহাণুবলায় সৃষ্টি হয়?

আমাদের এই সৌরজগৎ অনেক রহস্যে ভরা। সৌরজগতের এক বিচিত্র সদস্য হচ্ছে গ্রহাণু। সূর্য থেকে মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝে  2.2 এবং 3.3 A.U. দূরত্বের মাঝে, একটি বলয় সৃষ্টি করে হাজার হাজার বড় ছোট পাথরের খন্ড সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলতে থাকে। ইহাই গ্রহাণু (Asteroid)। এসব গ্রহাণুর বলয়টিকে বলা হয় গ্রহাণুবলয় (Asteroid Belt)। বলয়টির বেধ প্রায় 10 কোটি কিলােমিটার এবং প্রস্থ প্রায় 20 কোটি কিলােমিটার। বলয়টি এতটাই বিস্তৃত যে গ্রহাণুগুলির দূরত্ব সূর্য থেকে কোটি কোটি কিলােমিটার।

এই গ্রহাণু গুলি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে, এই আবিস্কারের ইতিহাসটি অতি বড় চমৎকার। শুক্র, বুধ, মঙ্গল, শনি ও বৃহস্পতি এই পাঁচটি গ্রহের কথা আদিকাল থেকেই মানুষের জানা ছিল। আমাদের এই পৃথিবীর মানুষ গুলো কখনোই বিশ্বাস করতে চাইতেন না যে এই পৃথিবীও একটি গ্রহ। পৃথিবী গ্রহ হিসাবে স্বীকৃতি পায় সপ্তদশ শতকের প্রায় মাঝামাঝি সময়ে। ইউরেনাস গ্রহটি আবিস্কৃত হয় 1781 খ্রিষ্টাব্দে। কিন্তু, এই গ্রহটি আবিষ্কারের আগে পর্যন্ত বুধ থেকে শনি – এই ছয়টি গ্রহের কথাই মানুষের জানা ছিল। সূর্য থেকে গ্রহ গুলির দূরত্ব কত এর মাপ গুলো জানা ছিল। এখানে উল্লেখ্য, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব চৌদ্দ কোটি ছিয়ানব্বই লক্ষ কিলােমিটার, মঙ্গলের দূরত্ব বাইশ কোটি ঊনআশি লক্ষ কিলােমিটার, বৃহস্পতির দূরত্ব সতাত্তর কোটি তিরাশি লক্ষ কিলােমিটার।

মূল্যবান ধাতু ও সম্পদে ভরপুর গ্রহাণুবলায়

এই পৃথিবীর ভূমি নয় এবার সম্পদের খোঁজে ছুটে চলছেন বিজ্ঞানীরা মহাকাশে। তবে শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্য যে , বিজ্ঞানীরা মূল্যবান সম্পদের খোঁজে ছুটছেন মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহে। ধনী হওয়ার সহজ উপায় বের করছে নাসা । মঙ্গল ও বৃহস্পতি এই দুই গ্রহের মধ্যে রয়েছে একটি গ্রহাণুবলায় যা, ভর্তি রয়েছে সোনা , লোহা , ও নিকলের মতো মূল্যবান ধাতু যার মূল্য প্রায় ৭শ কুইন্টাল অন মার্কিন ডলার । অর্থাৎ ৭ এর পর ২০ টা শুন্য । হিসেবের নিরক্ষতা এটাই যে , পৃথিবীর ৭ বিলিয়ন মানুষ প্রত্যেকেই আয় করে নিতে পারে ১০০ বিলিয়ন মার্কিণ ডলার যার ফলেই সকলেই হয়ে উঠতে পারবে কোটিপতি ।

খনন অভিযানঃ

এ খনন অভিযানের দায়িত্বে আছেন উপ স্পেস ইন্ড্রাস্ট্রিজ। যে সংস্থার কাজই মহাকাশে এই ধরনের খনিজ সম্পদে পরিপুর্ণ গ্রহাণুবলায় এর কাজ অনুসন্ধান করা এবং পরে সেখানে খনন কাজ চালানো । ডি. এস. আই ক্যালোর্ফোনিয়া নাসার বিজনেস পার্কে অবস্থিত চুক্তির ভিক্তিতে কাজ করে নাসার সঙ্গে । এছাড়া এর আগে নাসার ডন জাপান এরো স্পেস এজেন্সি এর প্রসেট্রা খনিজ পদার্থের ভরপুর একাধিক গ্রহণুবলায় এর অভিযান চালিয়েছেন । কিন্তু এই সবটুকু অভিযানের ব্যায় ‍নির্বাহ হয়েছিল সরকারি তহবিল থেকে । এদের থেকে প্রযুক্তি এবং কৌশলের প্রয়োগ একটু হলেও আলাদা ডি-এস আই ।

তাদের গ্রহাণু অভিযানের সময় ও অর্থ দুই- বাড়ছে স্ট্রিরয়েট মাইনিং অর্থাৎ গ্রহাণুবলায়ে খনন অভিযান অনেকটাই সাশ্রয় হয়েছে এই ডি, এস, আই এর কল্যাণে । বর্তমানে চলছে সেরা লোকেশন বাছাই এর কাজ স্থান নির্বাচন হয়ে গেলেই চলবে বিশেষ রোবটিক মহাকাশ অভিযান শুরু করবে সম্পদ আরোহনের কাজ । রয়াল এস্ট্রোনোমিক্যাল  সোসাইটির প্রেসিডেন্ট জার্নীকির মতে প্রথমে এই গ্রহাণুবলায় খনন অভিযান কল্পোবিজ্ঞান হলেও আজ তা পরিক্ষিত সত্য । আগামি দশকের মধেই হবে অভিযান । এবার ভূগর্ভ ছেরে মহাকাশে খনিজের খোঁজ চালাবে মানুষ । ক্রমশ বাড়তে থাকা জনসংখ্যা ও বিপুল চাহিদা মেটাতে মানবজাতির ভরসার অবকাশ এখন মহাকাশ।

প্রিয় ভিজিটর, এই পোস্টটি আপনাদের কেমন লেগেছে? এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনাদের কোন মতামত থাকলে, তা অব্যশই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনারা পরবর্তীতে কী ধরণের পোস্ট চান, তাও জানাবেন। আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি যদি এখনও সাবস্ক্রাইব করে না থাকেন, তাহলে অব্যশই সাবস্ক্রাইব করবেন।

কিভাবে earnmines কয়েন বিক্রি করা যায়

কিভাবে earnmines কয়েন বিক্রি করা যায়

What is earnmines and how do works it?

প্রতিদিন ইউটিউব, গুগলে হাজারো শিক্ষিত বেকার  সার্চ করে থাকেন, online income কিভাবে করা যায়। কিভাবে online থেকে টাকা উপার্জন করা যায়। ঠিক তেমনি online money income করার জন্য প্রতি নিয়ত সবাই  online money making website অথবা money making apps খুঁজে থাকেন। এসব সাইট, অ্যাপসে কাজ করলে তারা সামান্য পেমেন্ট দিলেও কিছু দিন পরেই হারিয়ে যায়। কিন্তু আজ আমি এমন একটি সাইট সম্পর্কে জানাবো, যেখানে online jobs without investment ছাড়াই করতে পারবেন। এমন কি নিজের কাজ অন্যেদের দিয়েও করাতে পারবেন। বলতে পারি, এক ঢেঁলে দুই পাখি মারা।

হয়তো, ইতিমধ্যেই earn mines ওয়েব সাইট সম্পর্কে জেনেছেন। যারা এখনও ইনকাম থেকে বিরত অথবা পড়াশুনার পাশাপাশি সামান্য সময় ব্যয় করে টাকা ইনকাম করতে চান। তারা আর্নমাইনস ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। এখানে earn mines দুই ধরণের ব্যক্তিদের সেবা দিচ্ছেন, যারা ইনকাম করতে চান তাদের জন্য এবং যারা বিভিন্ন সোশিয়াল মিডিয়া যেমনঃ youtube, facebook, twitter, Instagram, Blog ইত্যাদি নিয়ে কাজ করে থাকেন। কিন্তু এগুলো বুস্ট করার জন্য মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড না থাকার কারণে কোনো অগ্রগতি লাভ করতে পারছেনা। ঠিক তাদের কথা মাথায় রেখে earnmines নিয়ে আসল একসাথে ইনকাম আবার পেইড সার্ভিস। তা বন্ধু আপনি পিছে থাকবেন কেন? আপনি আসতে পারেন এ ইনকামের পাল্টফর্মে। আগে সাইটটি ঘুরে আসুন তারপর সিদ্ধান্ত নিন। কিভাবে ইনকাম করবেন অথবা পেইড সার্ভিস গুলো উপভোগ করবেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়েছে এই ভিডিওটিতে। সম্পূর্ণ ভিডিওটি।

কিভাবে earnmines কয়েন Sell করবেন?

স্যার আপনি কী? earn mines থেকে কয়েন ইনকাম করেছেন? যদি সরাসরি বিক্রি করতে চান? তাহলে আমাদের কাছে বিক্রি করতে পারেন। earn mines এর পেজে Sell করতে পারেন। আমি Social Media তে কাজ করে থাকি। তাই আমার নিজস্ব প্রয়োজনে কয়েন কিনে থাকি। তাহলে আমার কাজ আরো সহজ হয়। যাহোক, EARN MINES এর নিয়মানুসারে ৮৫০০ কয়েন= ১ ডলার। আমরা ১ ডলার= ৮০ টাকা করে দিয়ে থাকি। কয়েন বিক্রির টাকা আপনি বিকাশে নিতে পারবেন অথবা Flexiload হিসেবেও নিতে পারবেন। কয়েন পাঠানোর নিয়মঃ
1. earnmines.com-এ আপনার username ও password দিয়ে লগইন করুন
2. এরপর +More মেনুতে ক্লিক করার পর ২ নং-এ Transfer Coin মেনুতে ক্লিক করুন
3. Transfer Coin to ফাঁকা বক্সে enzymerony লিখুন। এরপর আপনার বিক্রিত কয়েনের পরিমাণ বসিয়ে দিন। তারপর Send করে দিন।

কয়েন পাঠানোর আগে আমাদের সাথে 01987-662762 নাম্বারে যোগাযোগ করুন। তাহলে সঙ্গে সঙ্গে টাকা পাবেন। ও হ্যাঁ কয়েন ট্রান্সফার করার জন্য earnmines ১৫% কয়েন কেটে নিবে। তাহলে ভাবছেন আপনার লাভ কী হলো? এখানে লাভ একটাই কয়েন বিক্রি করার পর পেমেন্ট পাবার জন্য ১ মাস অপেক্ষা করতে হবে না। টাকাও কম দিচ্ছি না ১ ডলার=৮০ টাকা। টাকা বিকাশে অথবা Flexiload নিতে পারবেন।

আমাদের কাছে কয়েন বিক্রি ও টাকার পরিমাণ সমূহঃ
২১২৫ কয়েন= ২০ টাকা
৩১৮৮ কয়েন= ৩০ টাকা
৪২৫০ কয়েন=৪০ টাকা
৫৩১৩ কয়েন= ৫০ টাকা
৬৩৭৫ কয়েন= ৬০ টাকা
৭৪৩৮ কয়েন= ৭০ টাকা
৮৫০০ কয়েন= ৮০ টাকা
৯৫৬৩ কয়েন= ৯০ টাকা
১০৬২৫ কয়েন= ১০০ টাকা

আপনারা যারা কয়েন বিক্রি করতে চান সরাসরি, তাহলে উপরোক্ত নীতি অনুযায়ী বিক্রি করতে পারবেন। কয়েন বিক্রি করার আগে অব্যশই আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। এজন্য উপরের দিকে আমার ফোন নাম্বার দিয়েছি।

আর্ন মাইনস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা

এখন হয়তো অনেকেই ভাবছেন অথবা আর্নমাইনস টিম ভাবছেন, আমি কেন কয়েন ক্রয় করছি? এখানে গোপনীয়তার কিছুই নেই। আমি ডলারও কম দিতাছিনা। এখানে যাতে আর্নমাইনস ওযেবসাইটির প্রচার এবং সবার কাজ করার বিশ্বস্ততা পায়। তাই সবার কাজ করার আগ্রহ যাতে  বৃদ্ধি পায়, এজন্য সরাসরি পেমেন্টের ব্যবস্থা করলাম। তাই সবাইকে বলব আসুন সবাই কাঁধে হাত রেখে এক সাথে সাবলম্বী হই এবং একে অপরকে সহযোগিতা করি।

একটা কথা না বললেই নয় যে, যারা পেজ লাইক , ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করে কয়েন আয় করেছেন, তারা কখনও ঐসব পেজ এবং ইউটিউবকে আন সাবস্ক্রাইব করবেন না। মনে রাখবেন, কাউকে ঠকিয়ে কখনও জয়ী হওয়া যায় না। এখানে আর্নমাইনস এর মত সবার সমান কাজ করার জায়গা, সহযোগিতার জায়গায়। মনে রাখবেন, এখানে একদিকে আয়ও হচ্ছে পাশাপাশি নিজের সোসিয়াল সাইট গুলোর অগ্রসর হচ্ছে। এবং অপরকে সহযোগিতাও হচ্ছে। তাই বলব, কখনও হীনমন্যতার পরিচয় দিবেন না। আসুন একসাথে কাজ করি।

যেসব নতুন ভিউয়ার, যারা এখনও আমার চ্যানেল কে সাবস্ক্রাইব করেননি, তারা সাবস্ক্রাইব করে সাথে থাকুন। আপনাদের মনে যদি কোন প্রশ্ন জাগে অথবা জিজ্ঞাসা থাকে, তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।

How to fix this page is trying to load scripts from unauthenticated | study-based

Fix in 4 way “this page is trying to load scripts from unauthenticated”

প্রিয় দর্শক,

আশা করি অনেক ভাল আছেন। আপনি যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করেন, তখন এই সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। অথবা আপনি “this page is trying to load scripts from unauthenticated sources”এই সমস্যায় পড়েছেন। আপনার ব্রাউজারের কনটেন্ট লিংক এর ডান দিকে এই সমস্যার চিহ্নটি দেখতে পাবেন।  তবে এতে ভয়ের কিছুই নেই। আজকের এই আর্টিকেল সম্পূর্ণ পড়ুন, তাহলে “script error fix” করতে পারবেন।

আমি গুগলে এই সমস্যাটি নিয়ে সমাধান খুঁজেছিলাম। অনেকেই “how to fix script errors” এই বিষয়ে সমাধান দিয়েছে। কিন্তু তারা এই বিষয়ে সঠিক সমাধান দিতে পারেনি। এটার কারণ হল, তারা  ” load scripts from unauthenticated sources” এই বিষয়টির উপর ধারণা করে সমাধান দিয়েছেন। আমার study based ওয়েবসাইটের একটি ওপেন করেছিলাম এবং হঠাৎ, লক্ষ্য করেছিলাম “no authentication” সমস্যাটি। অন্যদের দেওয়া সমাধান এর উপায় গুলো দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কোনো সুভল পাইনি। আশা করি, সম্পূর্ণ আর্টিকেল uswitch করবেন।

আপনাকে প্রথমেই জানতে হবে what is a script error, এবং কেন হয়?  আপনারা হয়তো ভাবছেন, এটি chrome browser, firefox অথবা  browser এ ভাইরাস ধরেছে। কিন্তু বন্ধুরা আসলে এমনটা নয়। এটি ব্রাউজারের সমস্যা নয়, এটি হল আপনার ওয়েবসাইটের সমস্যা অথবা আপনি যে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতেছেন। সেই ওয়েবসাইটটির সমস্যার কারণে, এধরণের সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে। আপনার যদি নিজের ওয়েবসাইটে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়, তাহলে আস্তে আস্তে আপনি দর্শক হারাতে থাকবেন। দর্শকরা ভাইরাস আক্রমণের ভয়ে আপনার ওয়েবসাইটে দর্শক কখনোই আসবে না। এর ফলে, আপনার ইনকাম একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে। তাই, এই  script errors সমস্যাটার  সমাধান করা অত্যন্ত জুরুরী।

load scripts from unauthenticated

এছাড়াও আপনাকে নিচের বিষয় সমূহ জানা দরকার। যেমন:  proxy server site কী? Proxy server কীভাবে ওয়েবসাইটকে নিয়ন্ত্রণ করে?

proxy হচ্ছে এক ধরনের Network Server এটি কোনো ব্যবহারকারীর IP Address কে গোপন করে, ঐ প্রক্সির I.P দিয়ে ইউজারকে ইন্টারনেটের সাথে Conectect করিয়ে দেয়।এর ফলে user,  ইন্টারনেটে কোনো website browse করলে,  উক্ত সাইটে ইউজারের আইপির বদলে proxy সার্ভারের I.P থাকবে। উদাহরণ: মনে করুন আপনার  আইপি এড্রেস 44.444.444.22. আপনি যদি কোনো একটা প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করেন  এবং ওয়েব ব্রাউজ করেন,  যার আইপি এড্রেস হতে পারে  22.888.456.22. এইটি। কিন্তু আপনার  ভিজিটকৃত সাইটসমূহ আপনাকে  22.888.456.22  অর্থাৎ প্রক্সি সার্ভারের আইপি এড্রেস দিয়ে শনাক্ত করবে, এখানেই কিন্তু আপনার প্রধান  আইপি এড্রেসটি গোপন থাকছে।

What is proxy server

সমাধানের উপায় সমূহ:

প্রিয় দর্শক, “this page is trying to load scripts from unauthenticated sources” এই সমস্যা সমাধান 4 টি

উপায়ে করা যায়। বিভিন্ন ব্লগার এবং ওয়েব বিশেজ্ঞগণ বিভিন্ন ধরণের সমাধান দিয়েছেন। কিন্তু, আমি “load scripts from unauthenticated sources” সমস্যাটির সমাধান একটু ভিন্নভাবে দিয়েছি। আমি আশা করি, এটি আপনার সমস্যা সমাধান করবে। আপনি আরো ভাল করে বুঝে নেবার জন্য এই পোস্টটি পুনরায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। অথবা, আমার ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন। আমি আশাবাদী আমার চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে দিবেন এবং আমাদের সাথেই থাকবেন।

১. এন্টি ভাইরাস ব্যবহার: আপনার পিসিকে ও ব্রাউজারকে সবসময় সুস্থ রাখতে আপনার একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজন। যাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় MALWARE, VIRUS, HIDDEN FILE পিসিতে প্রবেশ করতে না পারে। এগুলো আমাদের কম্পিউটারকে আস্তে আস্তে স্লো করে দিবে এবং পিসিকে একে বারেই অকেজো করবে। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির এন্টি ভাইরাস পাওযা যায়। এসব এন্টিভাইরাস আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হবে। এসব এন্টিভাইরাসকে পেইড ভার্সনও বলা হয়। এন্টিভাইরাস সরবরাহকারী কোম্পানি গুলোর মধ্যে AVG, AVAST, AVIRA, Kaspersky, Panda ইত্যাদি অনেক জনপ্রিয়।

হয়তো, এখন আপনি ভাবছেন, পেইড ভার্সন কেনার সামর্থ্য নেই, এটা বললে আমার ভুল হবে। এর কারণ হল: আমরা এখন ছাত্র। যাহোক, ফ্রিতে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে পারবেন খুব সহজেই। কিছু কিছু কোম্পানি একমাসের জন্য ফ্রিতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করার সুযোগ দিয়ে থাকে। কিন্তু তারপর আবার কিনতেই হতে পারে। আপনি সারা বছর ফ্রিতে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করার জন্য avira ব্যবহার করতে পারেন। আমি আমার পিসিতে ফ্রিতে সারা বছর অ্যাভিরা ব্যবহার করে থাকি। আপনি, আপনার পিসিকে সারা বছর সুস্থ রাখতে avira ব্যবহার করতে পারেন। কিভাবে avira ফ্রিতে ব্যবহার করতে হয়, তা জানার জন্য আমার ইউটিউবের ভিডিও দেখে আসতে পারেন।

২. Plugin Update Problem: আপনার ওয়েবসাইটে লগইন করুন এবং প্লাগিন সমূহ লক্ষ্য করবেন অথবা আপনার ড্যাসবোর্ড লক্ষ্য করুন, তাহলে হলুদ বর্ণের নোটিফিকেশন আপনাকে জানিয়ে দিয়েছে কি কি আপডেড দেওয়া প্রয়োজন। যাহোক, আপনার প্লাগিন গুলোকে আপডেট দিয়ে দিন সম্পূর্ণ ফ্রিতে। আপডেট দেওয়ার পর আপনার সাইটের যে কনটেন্ট সমূহের সমস্যা ছিল, সেই লিংকটি রিলোড দিন। আশা করি সমস্যার সমাধান হয়েছে। যদি একা না করতে পারেন তাহলে, আমাদের ইউটিউবের ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন।

৩. Theme Problem: আপনি যখন আপনার ওযেবসাইটে wordpress install করেছেন, তখন হয়তো  script সমূহ গুলো ভালো করে সাজানো হয়নি। তাই script গুলো আবার পুনরায চেক, আবার সাজিয়ে নিন। তাছাড়া, আপনার ওয়েবসাইটে ssl website সমস্যা থাকতে পারে। তাই এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য ssl certification ভাল করে cpanel গিয়ে install করতে পারেন। যদি একা না করতে পারেন, তাহলে ইউটিউবের সাহায্যে নিতে পারেন। এই সমস্যাটা নিয়ে ইউটিউবে সার্চ করুন। আশা করি অনেক সমাধান খুঁজে পাবেন।

৪. Malwarebytes ব্যবহার করা: উপরোক্ত বিষয় গুলো দ্বারা যদি সমাধান না করতে পারেন। তাহলে আপনার ব্রাউজারে ভাইরাসের আক্রমণ হয়েছে। । এটা সহজেই দূর করা যায়না। এটা দূর করার জন্য গুগলের সাহায্যে নিতে হবে। গুগলের সার্চ অপশনে লিখুন I have chrome virus. এরপর সার্চ করুন।

তারপর একটু নিচের দিকে গুগলের একটি হেল্প লিংক খুঁজে পাবেন। যদি না পারেন তাহলে আমার ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন।

আশা করি বন্ধুরা, আপনাদের সমস্যাটি সমাধান হবে। আর্টিকেলটি আপনাদের কেমন লেগেছে? অব্যশই একটি কমেন্ট করবেন। আপনার কাছে যদি এর চাইতেও ভাল সমাধান থাকে, তাহলে অবশ্যই জানাবেন। বন্ধুরা আপনাদের শুভকামনা করছি।

ধন্যবাদ,

Study-based

আমাদের অন্যান্য পোস্ট সমূহঃ

1. How to download Adobe Audition CC 2019 for lifetime

2. How to activate Windows 10 with KMSpico_setup file 2018

3. Download adobe premiere pro cc 2018 full crack

4. Cyberlink powerdirector Ultimate 17 Activation For Lifetime

5. idm full version free download with Serial Key Crack

6. How to free download Star Filter and Star Spikes Pro Photoshop Plugin