অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার

তরুণ ও তরুণী সহ ছোট বড় সকল বয়সের ছেলে মেয়েদের মাথা লক্ষ্য করলে দেখা যা অকালে চুল পাকতে শুরু করেছে। ফলে এসব তরুণ তরুণী যখন স্কুল, কলেজ, বন্ধু বান্ধবের মাঝে অনেক হাস্যর কারণ হয়ে যায়। তখন নিজেকে অনেক ছোট মনে হয়। তবে এই হাস্যর কারণ থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে চুল পাকতে শুরু করেছে এবং এর প্রতিকার কি যাতে বাকি চুল আর কখনো না পাকে।

এজন্য আপনাকে আমাদের পুরো পোস্ট পড়তে হবে মনোযোগের সাথে। কারণ এখানে এমন কিছু টিপস দিবু যাহাতে কোন টাকা খরচ হবে না, বরং আপনি বিনা খরচে ৯০% চুল পাকা কমাতে সাহায্য করেন। যদি আপনি আমার নিয়ম কানুন মানতে পারেন। এসব নিয়ম একদম সহজ। এছাড়া আরো জেনে নিন অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার

চুল পাঁকার কারণ গুলো কি কি?

এখন জেনে নিই কী কারণে চুল পাঁকতে শুরু করে, তারপর জানিয়ে দেব এর প্রতিকার এবং সবশেষে থাকবে আমার কিছু গোপন ট্রিক্স যা আপনাকে ৯০% সহযোগীতা করবে ইনশাল্লাহ।

চুল পাকার কারণ সমূহঃ

১. ধুমপানঃ যারা কম বয়সে ধুমপান করে থাকে তাদের চুল অল্প বয়সেই পাকতে শুরু করে। এজন্য ধুমপান থেকে বিরত থাকলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে বাঁচতে পারবেন এবং চুলও কাল থাকবে।

২. মানসিকঃ যারা কারণে অকারণে সামান্য অথবা যেকোন কারণে সবসময় চিন্তা করেন। এরকম মানসিক চাপ সব সময় কাজ করলে অল্প বয়সেই চুল পাকে।

৩. ভেজাল যুক্ত খাবার খাওয়াঃ বাসি পঁচা খাবার অথবা মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার খাওয়া চুল পাকার কারণও বটে।

৪. পুষ্টির অভাবঃ নিয়মিত ভিটামিনযুক্ত খাবার না খেলে শরীরে পুষ্টির অভাব ঘটে। এজন্য চুলে গোঁড়ায় পুষ্টির অভাব ঘটে এজন্য চুল পাঁকে।

৫. ইলেকট্রিক ড্রাইয়ারঃ প্রাকৃতিক বাতাসে চুল শুকাতে অনেকেই বিব্রত বোধ করেন, তারা কম সময়ে চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহার করে থাকে। ফলে চুলের শক্তি আস্তে আস্তে কমে গিয়ে পাঁকা আরম্ভ করে। তাই হেয়ার ড্রাইয়ার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

৬. কেমিক্যালঃ চুলের ভাঁজ ও সৌন্দর্য ঠিক রাখার জন্য বিভিন্ন ধরণের কেমিকেল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর গুণমান সঠিক কিনা তা কখনো জানিনা। এর ফলে চুলের ক্ষতি হয় ফলে চুল পড়তে থাকে ও পাঁকা শুরু হয়।

৭. ঘুম কম হওয়াঃ অনেকেই নানা কারণে অকারণে অনেকদেরীতে ঘুমাতে যায়। নিয়মিত পরিমিত ঘুম না হবার কারণে চুল পাঁকে।

৮. জেনেটিক হরমোন সমস্যাঃ জেনেটিক সমস্যার কারণে খুব অল্প বয়সে চুল পাঁকে। আবার বংশগত কারণে উপরোক্ত কারণ ছাড়াই অল্প বয়সে চুল পাকে।

চুল পাঁকার রোধে করণীয় কী?

চুল পাঁকা রোধে করণীয় সমূহঃ চুল পাঁকা রোধের অনেকে অনেক রকম ব্যাখ্যা আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন। তবে সেগুলো বিষয়াবলী জানানোর আগে আমার একান্তই কিছু নিয়ম জানাবো। আমি মনে করি এই নিয়মাবলী আপনি যদি যথাযথ ভাবে মানেন তাহলে উপকার পাবেন ইনশাল্লাহ।

প্রথমতঃ আমি লক্ষ্য করেছি, অল্প বয়সে আমাদের বংশে কাদের চুল পেঁকেছে কিন্তু কেনো। তখন লক্ষ্য করেছি বেশির ভাগই বংশগত কারণ। আমাদের বংশের মানুষদের আগেই চুল পাঁকে। আরো লক্ষ্য করেছি, আমাদের অনেকই একটু মাথা ব্যাথা হলেই ছোটদের কাছ থেকে মাথার চুল টেনে নেই, আস্তে আস্তে এটা একসময় অভ্যাস্ত হয়ে যায়। মাথা ব্যাথায় চুল টেনে না নিলে আরাম যেন পাওয়াই যায় না। এ চুল টানার ফলে চুলের গোঁড়া নরম হয়ে যায় অথবা চুলের গোঁড়া নষ্ট হয়ে যায় অথবা চুলের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। ফলে বেশি চুল পাকে। আমি মনে করি আপনার যদি এই অভ্যাস থেকে থাকে এটা আস্তে এড়িয়ে চলুন, এভাবে বন্ধ করুন। তাহলে চুল আর অল্প বয়সে পাকবে না ইনশাল্লাহ।

দ্বিতীয়ত্বঃ যেকোন কারণে হোক মাথা দুএকটা পাঁকা চুল দেখা যায়, তখন এই চুল না তুলে ফেললে যের শান্তি পাওয়া যায় না। এই চুল তুলে ফেলার কারণে অন্য চুল গুলো ব্যাথা প্রাপ্ত হয়। তখন এই চুলের আশে পাশের চুল গুলো পর্যায়ক্রমে পাঁকা শুরু করে। এই ভাবে চলে পাকা চুল তুলে ফেলার অভিযান। এক সময় দেখা যায় পাঁকা চুলের সমারোহ। তাই মনে করি এরকম দু একটা পাকা চুল তুলে অন্য চুলের ক্ষতি না করাই ভাল।

উপরোক্ত আমার নিজের বিষয় গুলো এবং নিজস্ব সমাধান দিলাম। এরপর থাকছে বিশেষাজ্ঞ গণদের সমাধান।

১. নারিকেল তেল গরম করে সপ্তাহে দু তিন চুলে লাগলে চুলে পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়।

২. আমলকি রাতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন, মাথায় মেসেজ করতে হবে, তাহলে চুলে গোঁড়ায় পুষ্টি যোগায়। এতে চুল পাঁকা রোধ করে।

৩. যদি চুল পাঁকা আরম্ভ করে, এরকম পর্যায়ে আপরি হাসনা হেনা ফুল, ডিমের কসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশ্রিত করে প্যাক তৈরি করবেন। এরপর ভালভাবে মেসেস করুন। এতে চুলের গোঁড়ায় পুষ্টি হবে এবং সাদা ভাবটা দূর হতে থাকবে।

বন্ধুরা আশা করি, আমাদের টিপসটি আপনাদের ভাল লেগেছে। আপনাদের কেমন লেগেছে তা কমেন্টস করে জানিয়ে দিন। তাহলে আমরা অনেক উৎসাহিত হই। পোস্ট শেয়ার করে আপনাদের বন্ধুদের জানিয়ে দিন। সবার সুস্থতা কামনা করছি।

Read More:

Photo Data Recovery Software Free Download

Thanks,

Study Based

চুল পড়ার আদি কারণ ও প্রতিকার সমূহ

চুল পড়ার আদি কারণ ও প্রতিকার সমূহ

চুল পড়ার আদি কারণ ও প্রতিকার সমূহ

আমাদের সবার পরিচিত এবং কমন রোগ যেটা কমবেশি সবারই দেখা যায় তা হল চুল পড়া। তবে যাদের বয়স ৪০+ হয়ে গেছে, তাদের চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এখন বেশির ভাগই মানুষ দেখা যায় যাদের বয়স ১৮ না হতেই চুল পড়া শুরু হয়ে যায়। তখন এ বয়সের ছেলে মেয়েদের অনেক খারাপ লাগে। ফলে আস্তে আস্তে তারা যে টাক মাথার অধিকারী হচ্ছে এটা অনুধাবন করতে পেরে তারা ছুটে যাচ্ছে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে অথবা বিভিন্ন কিছু মেখে মেখে রোধ করার চেষ্টা করছেন। আপনার কাছে আমার প্রশ্ন হলো এসব করে কী লাভ হয়েছে বলেন? যদি এসব করে কোন প্রতিকারই হতো তাহলে বিশ্বের অনেক নামীদামী লোকগণ কখনো চুল হারাতেন না। যেমনঃ নরেন্দ্র মোদী, ড্রনাল্ট ট্যাম্প, বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আব্দুল মাল মোহিত ইত্যাদি।

চুল পড়া রোধ অর্থাৎ টাক থেকে সমাধান পেতে আপনাকে খুঁজতে হবে কেন চুল পড়ে এবং কি কি করলে চুল পড়া থেকে রেহাই পাবেন ইত্যাদি। এখানে আমি আগে আমার দেয়া সমাধানের কথা বলব! কেনো আমার মাথার চুল পড়েছে এবং কিভাবে বন্ধ করতে পেরেছি।

আমি প্রথমে যে প্রশ্ন টা নিজেকে করেছি, তা হলো আমার কোন সময়তে বেশি চুল পড়ল ঠিক তার একদিন আগ পর্যন্ত চিন্তা করেছি, আমি কি কি কাজ করেছি, গোসল কোথায় করেছি, কি শ্যাম্পু দিলাম, আগে কোন শ্যাম্পু দিতেছিলাম, কয়দিন পরপর দিতাম, তাছাড়া বৃষ্টিতে মাথা ভিজেছে কিনা ইত্যাদি।

চুল পড়ার কারণ সমূহঃ

যখন আমার মাথা থেকে প্রতিদিন ১০০-১৫০ টি চুল পড়ল, তখন আমি আরো চিন্তিত হয়ে গেলাম। কী করব? ডাক্তার দেখব নাকি? তখন বিশ্বের সেরা মানুষদের কথা মনে পড়ল। তাদের টাকা থাকতেও কেনো তারা টাকলু মাথা। তারপর আমি উপরোক্ত বিষয়াবলী চিন্তা করে বের করলাম যে কোন সময়গুলোতে আমার বেশি চুল পড়ে।

প্রথম কারণঃ যেটা অনুভব করেছি, যখন আমি অধিক পরিশ্রম অথবা অত্যান্ত ঘেমেছি, তখন মাথাও ঘেমেছে। আমরা সবাই জানি, ঘামের সাথে প্রচুর লবণ বের হয়। এজন্য সাথে সাথে মাথা না ধুলে এ ঘামের জন্য চুল পড়ত। এটা বন্ধ করেছি ফলে আমি ভাল ফল পেয়েছি।

দ্বিতীয় কারণঃ আমি দ্বিতীয়ত্ব লক্ষ্য করেছি যখন বৃষ্টিতে ভিজতাম তারপর অনেক চুল ঝরে পড়ত। হয়তো সবার বৃষ্টির পানি সহ্য হয়না তেমনি হয়তো আমারও। তাই সহজে বৃষ্টিতে ভিজিনা। বিশেষ করে মনে রাখবেন মেঘের প্রথম বৃষ্টিতে পানির সাথে এসিড থাকে। তাই কিছুক্ষণ বৃষ্টি হয়ে গেলে আর সমস্যা নাই।

তৃতীয়ত্বঃ মাঝে মাঝে শ্যাম্পু চেন্জ করতাম এবং ঘনঘন ব্যবহার করতাম। এজন্য খেয়াল করেছি আমার চুল বেশি ঝড়ে পড়তেছে। তারপর আমার চুলের সাথে সবচেয়ে বেশি যে শ্যাম্পু ম্যাচ করে সেটাই ব্যবহার করি। কিন্তু মনে রাখবেন, প্রতিদিন শ্যাম্প ব্যবহার করবেন না। এতে করে মাথার ত্বক নষ্ট হবার সম্ভাবনা তো আছেই, তার সাথে চুল বেশি পড়ার কারণ হতে পারে।

যাহোক, প্রিয় পাঠক উপরোক্ত সব গুলো কারণ এবং সমাধান একান্তই আমার নিজের সমস্যা ও সমাধান। তবে আমি আরো কিছু সমস্যার কারণ ও সমাধানের উপায় নিম্নাক্তে তুলে ধরলাম আশা করি মনোযোগের সহিত পাঠ করবেন এবং উপকৃত হইতে পারেন ইনশাল্লাহ।

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ সমূহঃ

প্রিয় বন্ধুগণ, যদি আপনার অল্প বয়সে বেশি চুল পড়তে থাকে তবে এ ধরণের চুল পড়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেশিয়া বলা হয়ে থাকে। এটার লক্ষণ হচ্ছে আপনার কপাল দুপাশের রগের কাছ থেকে।আস্তে আস্তে মাথার সামনের দিকে এরপর ক্রমশ মাথার পিছনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে টাক মাথায় পরিণত হয়। তবে অনেকেই ধারণা করে থাকেন যে, বংশগত কারণ, বয়ঃসন্ধিকাল অথবা থাইরয়েড গ্রন্থির শুকানোর জন্য হয়ে থাকে।

কি কি কারণে মাথার চুল পড়ে যায়?

এবার জেনে নিন যে গুলো কারণে আপনার নিয়মিত চুল ঝরে পড়ে। উপরের কারণ সমুহ ছিল আমার নিজের। তাই আমার সাথে আপনার চুল পড়ার কারণ এক মিল থাকতে নাও পারে। তাই নিচের কারণ সমূহ আপনার পড়ে নেওয়া উচিত। কারণ সমূহ হলঃ

১. অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন:- অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন পুরুষের টাকের সবচেয়ে বড় কারণ। সেই সাথে নারীদের চুল পড়ার কারণও বটে। তবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে এই হরমোন সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষের শরীরে বেশি পরিমাণে থাকে। যেসব পুরুষের শরীরে এই হরমোনের প্রভাব বেশি থাকে, সেসব নারী ও পুরুষের বেশি করে চুল পড়ে।

২. মাথার ত্বকের সোরিয়াসিস:- মাথায় যদি ছত্রাক সংক্রমণ বা খুশকি হলে চুল বেশি পড়ার অন্যতম কারণ। তবে এটার সমাধানের জন্য আপনি খুশকিনাশক বা ছত্রাকরোধী শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। এতে যদি সঠিক ভাবে উপকৃত না হন তবে তার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে পারেন। সংক্রমণ ভালো হয়ে গেলে তখন আর খুশকি নাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। তবে মাথার ত্বকের সোরিয়াসিস ভাল হলে চুল আবার গজায়।

৩.  পুষ্টির অভাব:- শরীরের যদি পুষ্টির ঘাটতি পড়ে তবে এর ওপরও চুলের স্বাস্থ্য নির্ভর করে। দৈনিক খাবার তালিকায় শর্করা, আমিষ, স্নেহ, চর্বি,  খনিজ ও ভিটামিন পরিমিত পরিমাণে না খেলে চুলের পুষ্টি ঘাটতি দেখা যায় তখন চুল পড়ে যায়। তাছাড়া দেহে দীর্ঘদিন যাবৎ কোনো একটি উপাদানের অভাবে থাকলে চুল পড়ে যায়।

চুল পড়া কমানোর উপায় সমূহঃ আমি মনে করি, উপরোক্ত কারণ সমূহি এর চিকিৎসা করে লাভ নেই। এতে আপনার টাকা নষ্ট হবে মাত্র। তাই আমি যে সমাধান দিয়েছি তা পালন করলে ইনশাল্লাহ ভাল হবে। এই পোস্টটি সম্পর্কে আপনার কোন উপদেশ অথবা কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই মতামত দিবেন।

Thanks,

Study Based

আরো পড়ুনঃ

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার

অনিয়মিত মাসিকের কারণ ও প্রতিকার

মেয়েদের অনিয়মিত মাসিকের কারণ ও প্রতিকার

অনিয়মিত মাসিক

অনিয়মিত পিরিয়ড বা মাসিক নিয়ে আমাদের অনেকেরেই এই একটা সমস্যাই পড়তে হয় । গর্ভ ধারনের সমস্যা ছাড়াও ওজন হ্রাস , স্ট্রেস , থাইরাইড সমস্যা মানসিক চাপ অতিরিক্ত ব্যায়াম , হরমোনের ভারসাম্য অর্থাৎ বিভিন্ন কারনে হঠা’ৎ করেই আপনার নিয়মিত মাসিক অনিয়মিত ভাবে হতে পারে ।

অনিয়মিত মাসিকের কারণ সমূহঃ

  • শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেষ্ট্রেরণ হরমোনের তারতম্যের কারনে মাসিক আনিয়মিত হয়ে থাকে ।
  • অতিরিক্ত ব্যায়াম অথবা ব্যায়াম হিনতার কারনে অনিয়মিত হতে পারে ।
  • এছাড়া , মেনটাল প্রেসার বা মানসিক চাপের কারনে অনিয়মিত হয়ে থাকে ।
  • জড়ায়ু দূর্বলতার কারনে
  • হঠাৎ করে জন্মনিয়ন্ত্র পিল খাওয়া বন্ধ করে দিলে ।
  • শরীরে রক্ত শূন্যতা বা এ্যানিমিয়ার ফলে
  • শরীরে অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস- বৃদ্ধির তারতম্য ঘটলে
  • এছাড়াও সহবাসের সময় পুরুষের শরীর থেকে আসা বিভিন্ন রোগ যেমন – গনোরিয়া , সিফিলিস ইত্যাদি এর
  • ফলে মাসিক অনিয়মিত হতে পারে ।
মাসিককে নিয়মিত করতে দেখুন আমাদের ঘরোয়া টিপসঃ
পিরিয়ড কে নিয়মিত করতে আদা বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে । তাই জেনে নেই আদার ব্যবহার ।

আদাঃ এক কাপ পানিতে ২ চা চামুচ আদা কুচি কুচি করে কেটে ৭-৮ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে নিয়মিত ৩ বেলা এই আদা মিশ্রণটি খাওয়া যেতে পারে ।

আদা

আপেল সাইডার ভিনেগারঃ  প্রতিদিন খাবার আগে ৩-৪ টেবিল চা চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার পানির সংমিশ্রণে পান করুন । এটি রক্তের ইনসুলিন ও ব্লাড সুগার কমিয়ে দেয় । যা মাসিক ‍নিয়মিত করে দেয় ।

ভিনেগার

ভিনেগার

তিলঃ  তিল আমাদের শরীরে সাধারণত হরমোন তৈরি করে থাকে । তিলের গুড়া প্রতিদিন সকালে খালিপেটে পানি মিশিয়ে খেতে পারেন। একটু স্বাদের জন্য চাইলে গুড় অথবা চিনি মিশিয়েও খেতে পারেন ।

 তিল

টক জাতীয় ফল : তেতুঁল মেয়েদের জন্য সর্বোচ্চ লোভনিয় ফলের মধ্যে অন্যতম । তাই অনিয়মিত মাসিক কে নিয়মিত করতে তেতঁলের জুড়ি মেলা ভাড় । তাই চিনি বা গুড় মেশানো পানিতে ২-৩ গ্রাম তেতুঁল এক ঘন্টা ধরে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এরপর লবণ ও জিড়া গুঁড়া মিশিয়ে ‍ুদিনে অন্তত ২ বার পান করুন । এই উপাদান টি আপনার অনিয়মিত মাসিক কে নিয়মিত করতে সাহায্য করবে ।

ব্যয়াম : ব্যায়াম এর কারনে পেশী সাধারণত বাধা পেয়ে থাকে । যার ফলে পেশী সংকোচন শুরু করে । শরীরে রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয় । পিরিয়ড শেষ হবার পরে ব্যায়াম করলে পরবর্তিতে সঠিক সময়ে মাসিক হওয়ার সম্ভবনা থাকে ।

আমাদের পূর্ববর্তী পোস্ট যদি মিস করে থাকেন তাহলে নিম্নোক্ত লিংক থেকে সরাসরি ভিজিট করতে পারেন।

অন্যান্য উপাদান :

  • আঙ্গুর ফল বা আঙ্গুরের জুস খেতে পারে ।
  • করলার রস
  • কাচাঁ পেপেঁ
  • ধনিয়া পাতা বা ধনিয়া পাতার গুঁড়া ।
  • সিদ্ধ ডুমুরের পানি ছেকে পান করা ।

পিরিয়ডের আগে অর্থাৎ অন্তত ২ সপ্তাহ আগে আখের রস পান করাঃ
এছাড়াও শরীরে আয়রণ জনিত অভাবে মিনস অনিয়মিত হয়ে থাকে তাই প্রচুর পরিমানে আয়রন জাতীয় খাবার খেতে হবে । তার পাশাপাশি আমিষ খাবার ও খেতে হবে । অতেএব, মাংস জাতীয় খাবারের পাশাপাশি ডিম, চিংড়ি , গুড়া মাছ , পালং শাক , মিষ্টি আলু , বাধা কপি , ফুল কপি , তরমুজ , খেজুর , ডাল , মটরশুটি , শষ্যদানা ইত্যাদি ।
খাদ্যাভাস : এই অনিয়মিত মাসিক সমস্যা যদি প্রায়ই ভুগতে থাকেন তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে যে আপনাকে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করতে হবে । তাই আপনার খাদ্য মেনুতে প্রচুর পরিমাণে শাক সবজি ও ফলমূল রাখুন । ফলের মধ্যে আনারস অনিয়মিত মাসিককে নিয়মিত করতে বিশেষ অবদান রাখে ।

সতর্কতাঃ জানা দরকার উপোরিক্ত পদ্ধতি গুলার সবার নিকটই গ্রহনযগ্যতা রাখে না । শুধুমাত্র যারা নন গর্ভবতি মহিলা তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । যারা বিবাহিত তাদের আগে নিশ্চত হতে হবে তারা প্রেগনেন্ট কি না ।

১. পিরিয়ড কী ও সুস্থ প্রজননের জন্য পিরিয়ডের সময় কি করণীয়

২. How to hack wifi password without root

পিরিয়ড কী ও সুস্থ প্রজননের জন্য পিরিয়ডের সময় কি করণীয়

পিরিয়ড কী ও সুস্থ প্রজননের জন্য পিরিয়ডের সময় কি করণীয়

মাসিক বা পিরিয়ড কী ?সুস্থ প্রজননের জন্য পিরিয়ডের সময় কি করণীয় ?

নারী জীবনে পিরিয়ড একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । প্রতিমাসের নিয়মিত পিরিয়ডই মেয়েদের গর্ভধারনে প্রস্তুত করে । মেয়েদের এসব স্পর্শকাতর বিষয়াদি তারা লুকিয়ে রাখতেই বেশি পছন্দ করে । যা একদম ঠিক না । যার ফলে হতে পারে আপনার বড় ধরনের বিপত্তি । তাই আর লজ্জা নয় স্বাস্থ ভালো রাখার্থে নিজে বেশি করে জানুন এবং অন্যকে জানানোর চেষ্টা করুন ।

পিরিয়ড কী ?

পিরিয়ড হলো প্রতি চন্দ্র মাসে মেয়েদের শরীরে হরমোনের প্রভাবে ,যোনিপথ দিয়ে যে ,জরায়ু নি:শৃত অংশ ও রক্ত বেরিয়ে আসে তাকেই মাসিক বা পিরিয়ড বলে । এই রক্ত বেরিয়া আসার সাথে সাথে শরীর থেকে দুষিত রক্ত ও বিষাক্ত পদার্থ রক্ত সংমিশ্রনে শরীর থেকে বেরিয়ে আসে ।

Mins or period

তাই মাসিকের সময় পেট ও কোমড় প্রচন্ড রকম ব্যাথা অনুভিত হয় । তার জন্য সবসময় অস্বস্থি বোধ হয় ও মেজাজ খিটখিটে হয় । এ সময় সবসময়ই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা অবশ্যই আবশ্যক ।

যেহেতু, শুধু রক্ত নয় বিষাক্ত পদার্থ ও বের হয়ে যায় তাই সবসময়ই পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে । বার বার অপরিচ্ছন্নতার ফলে প্রসাব সংক্রমণ হতে পারে যা কিডনি কে ড্যামেজ করতে পারে । তাই পিরিয়ডের সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ,প্রফুল্ল মোন ও সেই সাথে স্যানিটারি ন্যাপকিন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে ।

স্যানিটারি ন্যাপকিন কি ?

স্যানিটারি ন্যাপকিন হলো একটি স্বাস্থ সম্মত উচ্চ শোষান ক্ষমতা সম্পন্ন প্যাড । যা মেয়েদের মাসিকের রক্তপাতের সময় ঝরঝরে অনুভুতি থেকে স্বস্থিঃ দিয়ে থাকে । বার বার পুড়ানো ন্যাকড়া ব্যবহারের বিকল্প হিসেবে ন্যাপকিন ব্যবহৃত হয় । যা পুরা ৪-৫ ঘন্টা স্বস্থির সাথে পরিধান করা সহজ।

স্যানিটারি ন্যাপকিন

স্যানিটারি ন্যাপকিন ন্যাপকিন বা প্যাড ব্যবহারে সতর্কতা ;
ন্যাপকিন পাল্টানোর সময় আগে ভালো করে ২ হাত পরিষ্কার করবেন অতপর, যোনিপথ ও পরিষ্কার করে ধুয়ে মুছে নিন । তারপর আপনি নতুন একটা প্যাড ফিট করে ইউজ করতে পারেন । যদি হাত না ধুতেন তাহলে হাতে লাগা জিবাণু প্যাডে লেগে জরায়ুতে প্রবেশ করতে পারে । প্রয়োজনার্থে জিবাণুনাষক ও ব্যবহার করতে পারেন ।

৫ ঘন্টার অধিক সময় প্যাড ব্যবহার নয় :
একটা প্যাড ৫ ঘন্টার অধিক সময় ধরে পরিধান করা উচিত না । মাসিকের সময় ডিসর্চাজে এর ফ্লো এক সমান থাকে না । তাই মাসিকের শুরুর প্রথমে বেশি রক্ত পাত হয় এর জন্য প্যাড বেশি পাল্টাতে হয় । তবে শেষের দিকে ফ্লো কমে গেলে ও কোন অবস্থাতেই একটা প্যাড সারা দিন ব্যবহার করবেন না ।

নিয়মিত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন :
যোনি পথের বাইরে ও চামড়ার ভাজে ভাজে রক্ত ও জিবাণু লেগে থাকে । তাই কয়েকবার হালকা গরম পানি দিয়ে মুছে পরিষ্কার করুন । চাইলে সাবান ও ব্যবহার করতে পারেন । সেই সাথে প্রত্যেকদিন গোসল টাও সেরে নেবেন এতে করে শরীর পরিষ্কারের পাশাপাশি পেট ও কোমড় ব্যাথা ক্লান্তি অবসাদ ও দূর হতে পারে ।

ব্যবহৃত ন্যাপকিন সঠিক স্থানে ফেলুন :
ব্যবহার করা ন্যাপকিন আমরা সাধারনত ডাস্টবিনে না রেখে অনেক দিন যাবৎ বাথরুমের ঝুড়িতে রেখে দেই । যার ফলে উক্ত প্যাড থেকে জীবাণু ছড়িয়ে আপনি ও আপনার পরিবার সবাই ইনফেকশনে আক্রান্ত হতে পারেন । তাই যদিও বা রাখেন তাহলে অবশ্যই পলিথিন মুড়িয়ে রাখতে পারেন।

এক সঙ্গে একটির বেশি প্যাড ইউজ নয় :
পিরিয়ডের শুরুতে হেভি ফ্লো হয়ে থাকে । তাই আমরা বেশি রক্ত শোষনের জন্য একসঙ্গে ২ টা প্যাড অথবা বেশি করে ন্যাকড়া ইউজ করে থাকি । যা ‍দীর্ঘ সময় ধরে রক্ত শুষে নিতে পারবে এটা ভেবে । কিন্তু এটা মারাত্তক ক্ষতিকর খালিচোখে রক্ত না দেখা গেলেও জিবাণু কিন্তু ঠিকই আপনার সংক্রোমন ঘটানোর জন্য প্রস্তুত । সুতরাং , একবার একটা প্যাডই ইউজ করবেন আর মনে রাখবেন ৫ ঘন্টার বেশি সময় ধরে নয় ।

মাসিকের সময় যে ভুল গুলো করা যাবে না
মাসিকের সময় সাধারনতো একটু আধটু পেট ব্যাথা হয়েই থাকে । তার জন্য বাজারে যে পেইন কিলার ঔষধ বা ইনজেকশন পাওয়া যায় যা সাময়িক ব্যাথা কমিয়ে থাকে । এই ওষুধ ও ইনজেকশনে যে স্টরয়েড থাকে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর । যা পেইন কমানোর পরির্বতে স্টেরয়েডহিন এন্টি ইনফ্লামেটরি ড্রাগ শরীরে হার্ট অ্যাটার্কের ঝুকির পরিমান বাড়িয়ে দেবে। বারবার এ ধরনের ওষুধ খেলে কিডনি ও লিভার মারাত্রক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ।

উৎকট ও বিশ্রি গন্ধ কারও পছন্দ না । তাই আমরা সাধারনত সুগন্ধ যুক্ত স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করতে চাই । আর এই সুগন্ধি যুক্ত প্যাডে কিছু সিন্থেটিক ক্যামিক্যাল যুক্ত থাকতে পারে যা ক্যান্সার প্রবন।

প্রচুর ব্যাথা ও অস্বস্থির জন্য পিরিয়ডের সময় ইনসমনিয়া দেখা দেয় যার ফলে পরিমিত ঘুম আসতে চায় না যা শরীর কে অসুস্থ করে দেয় । তাই ঠিকঠাক খাওয়া দাওয়া ও ঘুম হলে মাসিকের সময় কম কষ্ট ও অনেক সহজ হয় ।

পিরিয়ডের সময় ক্লান্তি অবসাদ ও মাথা ব্যাথা জনিত সমস্যা থাকায় একটু চা , কফি খেতে মন চায় । যা খাওয়া ঠিক না ক্যাফেইন জাতীয় ড্রিংক শরির কে ডি-হাইড্রেট করে শরীর কে উল্টা ক্ষতি করে দিতে পারে । এ সময় এমনিতেই ঘুম আসতে চায় না তাই এগুলা বাদ দিলে টেনশন ও নিদ্রাহিনতার প্রকোপ কমে যাবে পরিমিত পরিমানে ঘুম হবে । যা স্বাস্থের জন্য ভালো ।

মাসিকের সময় যোনিতে ব্যাকটেরিয়াসংক্রোমনের ঝুঁকি অনেক বেশি । তাই সু স্বাস্থের লক্ষে এ সময় পরস্পর সঙ্গম না করাই ভালো।
আমাদের Study Based এর পোস্টটি কেমন লাগল বন্ধুরা, আশা করি কমেন্টস করে জানাবেন। আপনার আরো কী কী ধরণের পোস্ট পেতে চান তা অব্যশই জানাবেন।

আরো পড়ুনঃ

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার