Photo Data Recovery software

Photo Data Recovery software

Photo Data Recovery software or hard drive recovery software

Friends hope everyone is doing well. We can also delete photos, videos and important documents from our pen drive, memory and hard disks by mistake. The Important documents, photos, videos from our computer, laptop, Mobile are formats for our mistake. Then we think a lot. How to get back to our old memories. You tried to recover data in different ways. You have gone many computers stores to recover data but they could not it. They do not know that, How To Recover Pen-Drive? Today I will learn you how to data recovery. This Photo Data recovery software is enough for you. So You don’t have to worry about it today. You download Corrupted Damaged Photo Data Recovery software to be completely free.

How to download data recovery tool?

You will get a lot of online data recovery tool when you search the Google search engine. But Their crack files will not be given to you. When you will search different websites find these online data recovery software, they transfer to different websites. I can not download the software and therefore our time is wasted. You will not be in any trouble on our website. You can download the whole free data recovery services software directly. At the end of my post, you will get a free download link. After clicking this link there will be a download link on the Note Pad. After copying this link, open a new tab and paste it. Then there will be direct download link from there. If you face a problem, please comment on us. Moreover, there are e-mails in the above menu of this website, You can mail this address.

How to install hard drive recovery software?

It is very easy to install the hard drive recovery software. In the above ways, After downloading you will get a zip file. Extract this zip file, Then you get a folder. There will be three files in this folder. ‍Such as help video, software and another platoon file. First, install the software, but Do not open it after the software is installed. You can find the software icon on the desktop. You can find the location when you click the right button to put a pointer on the icon of the software. Click this option to reach the installation where it was installed. Then copy and paste the crank file that we have. Then cut and open the software. Check out our video to see how the software works.

What types of features of data recovery tool?

1. It works as a hard drive recovery software. You can recover files that are formatted or sd card delete the file.
2. It works as hard drive recovery software. So laptop, PC or Any device can recover hard drive easily.
3. If you delete any photo jpeg can be able to recover.
4. This is a photo restoration software. So it is very fast to be able to get the photo recovery of any format.
5. The software will have four additional benefits. Such as Any data recover, Monitor Drive, Damage Photo Repair, Damage Video Repair, etc.

System Requirements for Photo Data Recovery software:
1. Windows Operating System: Windows 7, 8, 8.1 & 10
2. Memory or RAM: 2GB or 4GB RAM Required
3. Max Harddisk Space: 500MB.

You can download easily here:

oR

Download Data recovery Tool

Read More:

idm full version free download with Serial Key Crack

Data recovery tool

Data recovery tool

damaged photo repair software free download and data recovery tool

বন্ধুরা আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমাদের অজান্তে কিংবা নিজেদের ভুলক্রমে আমাদের পেনড্রাইভ, মেমোরি, হার্ড ডিক্স গুলো থেকে ফটো, ভিডিও এবং গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস গুলো ডিলিট হয়ে যায়। আমাদের কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস, ছবি, ভিডিও ফরমেট হয়ে যায়। তখন আমরা অনেক চিন্তা করি। কিভাবে আমাদের পুরনো স্মৃতিগুলো আবার ফিরে পাবো। এজন্য অনেকের কাছে Data recovery করার জন্য চেষ্টা করেছি। অনেক কম্পিউটারের দোকানে গিয়েছেন কিন্তু তারা পারেনি। অনেকে জানেই না যে, কিভাবে Pin-drive recovery করে দিতে হয়। আজকে আমি আপনাদের জানাবো কিভাবে Data recovery করতে হয়। আজকে আপনাকে আর চিন্তা করতে হবে না। এই Photo Data recovery সফটওয়্যারটি আপনার জন্য যথেষ্ট। Corrupted Damaged Photo Data Recovery এই সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন সম্পূর্ণ ফ্রিতে।

কিভাবে ডাউনলোড করবেন?

গুগোল এ সার্চ করলে আপনি অনেক ধরনের online data recovery হয়তো সেগুলোর ক্রাক ফাইল আপনাকে দেওয়া হবে না। বিভিন্ন ওয়েবসাইট এসব online data recovery সফটওয়্যার খুঁজলে তারা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ট্রান্সফার করে। ফলে আমাদের সময় নষ্ট হয় এবং সফটওয়্যারটিও ডাউনলোড করতে পারিনা। আপনাকে এখানে কোন ধরনের হ্যারাসমেন্ট করা হবে না। আপনি সরাসরি সম্পূর্ণ ফ্রিতে data recovery services সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। আমার পোস্টের শেষের দিকে ফ্রিতে ডাউনলোড লিংক পাবেন। এই লিংকে ক্লিক করার পর একটি Note Pad এ ডাউনলোড লিংক থাকবে। এই লিংকটি কপি করার পর নতুন একটি ট্যাব ওপেন করে পেস্ট করে ইন্টার চাপুন। তারপর সেখান থেকে সরাসরি ডাউনলোড হতে থাকবে। যদি কোন সমস্যায় ফেস করেন, তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন। তাছাড়া এই ওয়েবসাইটের উপরে ইমেইল আছে এই ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

কিভাবে ইন্সটল করবেন?

এই সফটওয়্যার টি ইন্সটল করা খুবই সহজ। উপরোক্ত উপায়ে ডাউনলোড করার পর আপনি একটি জিপ ফাইল পাবেন। এই জিপ ফাইলটি এক্সট্রাক করবেন তাহলে একটি ফোল্ডার পাবেন। এই ফোল্ডারে তিনটি ফাইল থাকবে। একটি হেল্প ভিডিও, একটি সফটওয়্যার ও আরেকটি ক্রাক ফাইল। প্রথমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিন। সফটওয়্যার টি ইন্সটল হওয়ার পর এটিকে ওপেন করবেন না। ডেস্কটপের এর উপরে সফটওয়্যারটির আইকন পাবেন। সফটওয়্যারটির আইকনের উপর মাউসের পয়েন্টার রেখে রাইট বাটনে ক্লিক করলে লোকেশন পাবেন। এই অপশনে ক্লিক করলে যেখানে ইন্সটল হয়েছে সেখানে পৌঁছে যাবেন। এরপর আমাদের যে ক্রাক ফাইলটি রয়েছে সেটা কপি করে এখানে পেস্ট করে দিন। এরপর কেটে দিন তারপর সফটওয়্যার টি ওপেন করুন। সফটওয়্যার টা কিভাবে কাজ করে তা আমাদের ভিডিও থেকে দেখে নিন।

Features of data recovery tool:

ফ্রিতে ডাউনলোড করার পরে নিম্নোক্ত সুবিধা সমূহ পাবেন।
1. sd card repair tool হিসেবে কাজ করবে। তাই আপনার sd card এর ডিলিট হওয়া অথবা ফরমেট হওয়া ফাইল সমূহ recover করতে পারবেন।
2. এটি hard drive recovery software হিসেবে কাজ করে। তাই ল্যাপটপ, পিসি অথবা যেকোন ডিভাইসের hard drive recovery করতে পারবেন খুব সহজেই।
3. যেকোন ফটো ডিলিট হলে jpeg recovery করতে পারবেন।
4. এটি একটি photo restoration software. তাই ডিলিট হওয়া যেকোন ফরম্যাটের ফটো recovery করতে পারবেন অতিদ্রুত।
5. এই সফটওয়্যারটিতে আরো চারটি সুবিধা পাবেন। যেমনঃ যেকোন data recover, Monitor Drive, Damage Photo Repair, Damage Video Repair ইত্যাদি।

You can download easily here:

Download Recovery Pro Version

oR

Download Data recovery Tool

Sajek Valley

Sajek Valley

সাজেক ভ্যালি(Sajek Valley) অতি সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে অতি প্রিয় গন্তব্য স্থল সাজেক। এটি বাংলাদেশের রাঙ্গামাটির জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন হিসেবে খ্যাত। সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে সাজেকের উচ্চতা 1800 ফুট উঁচু। সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার হলেও এটি খাগড়াছড়ির দিঘীনালা থেকে অনেক কাছে এবং যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই সহজ।

দীঘিনালা থেকে সাজেক এর দূরত্ব মাত্র 40 কিলোমিটার এবং খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক এর দূরত্ব ৭০ কিলোমিটার। আপনি যদি সত্যিকারে সাজেকে যেতে চান, তাহলে বাঘাইহাট থেকে আর্মি ক্যাম্প অথবা পুলিশ ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিতে হবে।

সাজেকে গিয়ে কি কি দেখতে পাওয়া যাবে?

সাজেকের(sajek valley resort) চারপাশে মনমুগ্ধকর পাহাড়ের সারি এবং সাদা তুলার মত মেঘের ভেলা আপনাকে মোহিত করবেই। সাজেক খুবই আশ্চর্যজনক স্থান তাই একই দিনে প্রাকৃতিক তিন রকম রুপের ছোঁয়ায় আপনাকে চমৎকৃত করবে। কখনো আপনার চারপাশ ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাবে কখনো গরম অনুভূত হবে হয়তোবা হঠাৎ হঠাৎ আপনি বৃষ্টিতে ভিজে যাবেন। এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড় তুলার মত মেঘের পুরো খেলা দেখতে পারবেন।

সাজেকে ভ্রমণে আসা ভ্রমণ প্রেমিকদের কাছে প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে কঙ্কাল পাহাড়। সাজেক ভ্যালি কংকাল পাড়া গ্রামের লুসাই জনগোষ্ঠী দ্বারা অধ্যুষিত হচ্ছে এলাকাটি। আমাদের দেশের কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের লুসাই পাহাড় টি এই কঙ্কাল পাড়া গ্রাম থেকে দেখা যায়। যদি কমলোক ঝরনা দেখতে চান তাহলে রুইলুই পাড়া থেকে আপনাকে 2 ঘণ্টার ট্রেকিং করতে হবে। অনেকের কাছে সুন্দর ঝর্ণাটি সিকাম তৈশা বা পিদাম তৈসা নামে পরিচিত।

শিল্পীর তুলিতে আঁকার মতোই সাজেক ভ্যালি আপনার কাছে দিনে অথবা রাত অপরূপ মনে হবে। সময় গড়ে যাচ্ছে তবুও সাজেক যেন দিন দিন আরো নতুন হয়ে উঠছে। সাজেকে গেলে অবশ্যই সকালের সূর্যোদয় এবং মেঘের খেলা কখনো মিস করবেন না। কারণ এই সময়টাতে মেঘের খেলা এবং সূর্য উদয় ঘটে। তাই এই খেলাটি দেখতে হলে অবশ্যই আপনাকে খুবই ভোরে উঠতে হবে এবং এর জন্য রওনা দিতে হবে হেলিপ্যাডে। কারণ এই জায়গা থেকে সূর্য উদয় খুবই সুন্দর ভাবে দেখা যায়।

যদি সূর্যাস্তের রঙ্গিন রূপ দেখতে চান তাহলে অবশ্যই সাজেকের কোন উঁচু স্থান থেকে দেখতে হবে। যদি রাতের আকাশের কথা বলি তাহলে সন্ধ্যার পর আকাশে কোটি কোটি তারার মেলা আপনাকে বিমোহিত করবে। রাতের আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে তাহলে দেখতে পাবেন মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথ। পাহাড়ি অঞ্চলের আদিবাসীদের যদি জীবনযাত্রার মান দেখতে চান। তাহলে আপনাকে চারপাশটা ঘুরতে হবে তাহলে আদিবাসী মানুষের সান্নিধ্য আপনাকে অনেক ভালো লাগবে। যদি হাতে আরো অনেক সময় থাকে তাহলে সাবেক থেকে ফেরার পথে আরো ঘুরে আসতে পারেন দীঘিনালা ঝুলন্ত ব্রিজ দীঘিনালা বন বিহার এবং হাজাছড়া ঝর্ণা।

কখন সাজেক ভ্রমণের উপযুক্ত সময়?

বর্ণিল সাজে সারা বছরই সাজেক সাজিয়ে থাকে তাই সাজাকের রূপের তুলনা হয় না। বছরের প্রতিটি সময়ে আপনি সাজেক ভ্রমণ করতে পারেন তবে শরৎ, বর্ষা ও হেমন্তে সাজেকের চারপাশে মেঘের খেলা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তাই সাজেক ভ্রমণের এটাই সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত সময়।

সাজেকে যাওবার সহজ উপায়?

যেহেতু খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা থেকে সাজেকের দূরত্ব খুবই কম তাই আপনি তাড়াতাড়ি যাবার জন্য খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা হয়ে যাবেন। সাজেক রাঙ্গামাটি জেলার হলেও এটি রাঙ্গামাটি থেকে প্রায় অনেক কিলোমিটার দূরত্বে। এজন্য প্রথমে খাগড়াছড়ি আসতে হবে। আপনি যে কোন জেলার ই হোন না কেন। আমি ঢাকার কথা বলব ঢাকা থেকে প্রায় অনেকগুলো বাস পাওয়া যায় তার মধ্যে শান্তি পরিবহন, শ্যামলী, এস আলম পরিবহন, ঈগল পরিবহন এবং সৌদিয়া পরিবহন বাস উল্লেখযোগ্য।

এসি নন এসি বাসের পার্থক্য অনুসারে ভাড়ার পার্থক্য হয়ে থাকে। নন এসি বাসের ভাড়া প্রায় পাঁচ শত বিশ টাকা ও এসি বাসের ভাড়া 700 টাকা। এসি বাসের মধ্যে বিআরটিসি এবং সেন্টমার্টিন পরিবহন খুবই ভালো। এসব বাসের কাউন্টার ঢাকা গাবতলী কলাবাগান সহ বিভিন্ন প্রান্তে এসব বাস কাউন্টার রয়েছে।

খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক এর মোট দূরত্ব মোটামুটি 70 কিলোমিটার। সাজেক ভ্যালি যেতে তাদের গাড়ি অথবা জিপ গাড়ি ভাড়া নিয়ে যেতে পারেন। আসা যাওয়া থেকে শুরু করে দুই দিনের মোট ভাড়া নিবে 8000 থেকে 10000 টাকা। তবে একটি গাড়িতে আপনারা মোট 12 থেকে 15 দিন যেতে পারবেন।

যদি আপনাদের লোক কম হয় তাহলে অন্য গুরুপের সাথে কথা বলে শেয়ার করে গাড়ি নিলে আপনাদের খরচ অনেক কম পড়বে। যদি তাও সম্ভব না হয় তাহলে সিএনজি দিয়ে সাজেকে যেতে পারেন সে ক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ৪০০০ থেকে 5 হাজার টাকা। কিন্তু পাহাড়ের রাস্তা অনেক উঁচু নিচু হওয়ার ফলে সিএনজি দিয়ে ভ্রমণ না করাই ভালো।

আপনারা যদি দুই-তিনজন হয়ে থাকেন তাহলে খাগড়াছড়ি শাপলা চত্বর থেকে অনেক গুরুপ পাওয়া যায়। সেসব গুরুপের সাথে কথা বলে তাদের গাড়ি শেয়ার করতে পারেন অথবা জীব সমিতির সাথে কথা বললে উনারা যে কোন গুরুপের সাথে ম্যানেজ করে দেবে।

প্রথমে ঢাকা থেকে খাগড়াছড়ি গিয়ে সেখান থেকে দীঘিনালায় গিয়ে তারপর সেখান থেকে সাজেকে যেতে পারবেন। খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালার ভাড়া বাসে মাত্র 35 টাকা এবং মোটরসাইকেলে যদি যান তাহলে জনপ্রতি 100 টাকা করে লাগবে। কারণ খাড়াছড়ি থেকে দিঘীনালার দূরত্ব মাত্র ২৩ কিলোমিটার। যদি কারো সাথে ভাড়া শেয়ার করতে না পারেন অথবা আপনার সামর্থ্য থাকে।

তাহলে একাই মোটরসাইকেল ভাড়া নিয়ে সাজেক ঘুরে বেড়াতে পারেন। তবে যে কোন গাড়ি ঠিক করার আগে কোন জায়গা গুলো ঘুরে দেখবেন এবং আপনার পুরো প্লান গুলো আগে থেকে ঠিক করবেন তারপর গাড়ী ঠিক করবেন। আপনাকে সবসময় মনে রাখতে হবে আপনি যে জায়গা থেকে যান না কেন।

আপনাকে দীঘিনালায় দশটার আগেই পৌঁছাতে হবে। কারণ বাকি রাস্তা নিরাপত্তার জন্য সেনা বাহিনীর এসর্কোটে গিয়ে এসর্কোট গ্রহণ করতে হবে। সেনাবাহিনীর দিনে মাত্র দুই বারই এসর্কোট দিয়ে থাকেন। একবার হচ্ছে সকাল দশটায় এবং আরেকবার বিকালের দিকে। তাই মিস করলে আপনাকে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু যদি বিকেলের তাও মিস করেন, তাহলে পরের দিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এই এসর্কোট ছাড়া কোনভাবেই ওই জায়গায় যাওয়ার অনুমতি পাবেন না। দিঘীনালা ঘুরে দেখার পর যদি হাতে সময় পান তাহলে হাজাছড়া ঝর্ণা ঘুরে দেখতে পারবেন। খাগড়াছড়ি জেলা শহর থেকে সাজেকে যেতে আপনার সময় লাগবে দুই থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা।

 

আরো পড়ুনঃ