২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার রুটিন ২০১৯

সম্মানিত শিক্ষার্থীবৃন্দ, আসসালামু-আলাইকুম। আপনাদের সকলের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে।  আপনাদের ২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস এবং সার্টিফিকেট কোর্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষার শুরু হবে।  আগামী ২০/০৪/২০১৯ ইং তারিখ হইতে। যা নিম্নোক্ত তারিখ এবং সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হইবে। কিন্তু পরীক্ষার সময়সূচি চেন্জ করার অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে থাকেন। এজন্য পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রতিদিন অন্তত ৩ বেলা, যেমন সকাল, দুপুর, রাত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখিত ওয়েবসাইট ভিজিট করতে বলা হল।

২০১৮ সালের ডিগ্রির প্রথম বর্ষের পরীক্ষার রুটিন কিভাবে ডাউনলোড করা যায়?
ডিগ্রি প্রথম বর্ষের রুটিন ২০১৯ পিডিএফ ডাউনলোড করতে হবে। ডিগ্রি প্রথম বর্ষ অর্থাৎ,২০১৮ সালের যারা নিয়মিত/ অনিয়মিত এবং প্রাইভেট ছাত্রছাত্রীদের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের পরীক্ষার শুরু হবে। আগামী ২০-০৪-২০১৯ ইং তারিখে। এই বিজ্ঞপ্তিটি গত ২৭ মার্চে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছেন। এই ডিগ্রি প্রথম বর্ষ ২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস এবং সার্টিফিকেট কোর্স পরীক্ষা নিম্নোক্ত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

degree Exam routine 2019

ডিগ্রি পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য ও নির্দেশনাবলী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর নিজস্ব ওয়েব সাইট www.nu.edu.bd এবং www.nu.edu.bd এ পেয়ে যাবেন।

ন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি ডিগ্রী প্রথম বর্ষের রেজাল্ট ২০১৯ কিভাবে দেখা যাবে?
মেসেজ এর মাধ্যমে ডিগ্রী রেজাল্ট ২০১৯ পেতেঃ
এসএমএস এর মাধ্যমে ডিগ্রি রেজাল্ট 2018 পেতে নিম্নোক্ত ধাপ অনুসরণ করুন।
আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখুনঃ NU স্পেস DEG স্পেস আপনার রেজিস্ট্রেশন/রোল নম্বর এবং পাঠিয়ে দিন ১৬২২২ এই নম্বরে।
উদাহরণঃ NU DEG 745241 send 16222

শিক্ষার্থী বন্ধুরা, এই রুটিন সম্পর্কে যদি কোন মতামত অথবা প্রশ্ন থেকে থাকে। তাহলে, আমাদের কমেন্ট করে জানাতে পারেন। ও হ্যাঁ, আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি ভিজিট করতে পারেন। সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন।

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার

তরুণ ও তরুণী সহ ছোট বড় সকল বয়সের ছেলে মেয়েদের মাথা লক্ষ্য করলে দেখা যা অকালে চুল পাকতে শুরু করেছে। ফলে এসব তরুণ তরুণী যখন স্কুল, কলেজ, বন্ধু বান্ধবের মাঝে অনেক হাস্যর কারণ হয়ে যায়। তখন নিজেকে অনেক ছোট মনে হয়। তবে এই হাস্যর কারণ থেকে বাঁচতে হলে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে চুল পাকতে শুরু করেছে এবং এর প্রতিকার কি যাতে বাকি চুল আর কখনো না পাকে।

এজন্য আপনাকে আমাদের পুরো পোস্ট পড়তে হবে মনোযোগের সাথে। কারণ এখানে এমন কিছু টিপস দিবু যাহাতে কোন টাকা খরচ হবে না, বরং আপনি বিনা খরচে ৯০% চুল পাকা কমাতে সাহায্য করেন। যদি আপনি আমার নিয়ম কানুন মানতে পারেন। এসব নিয়ম একদম সহজ। এছাড়া আরো জেনে নিন অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার

চুল পাঁকার কারণ গুলো কি কি?

এখন জেনে নিই কী কারণে চুল পাঁকতে শুরু করে, তারপর জানিয়ে দেব এর প্রতিকার এবং সবশেষে থাকবে আমার কিছু গোপন ট্রিক্স যা আপনাকে ৯০% সহযোগীতা করবে ইনশাল্লাহ।

চুল পাকার কারণ সমূহঃ

১. ধুমপানঃ যারা কম বয়সে ধুমপান করে থাকে তাদের চুল অল্প বয়সেই পাকতে শুরু করে। এজন্য ধুমপান থেকে বিরত থাকলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে বাঁচতে পারবেন এবং চুলও কাল থাকবে।

২. মানসিকঃ যারা কারণে অকারণে সামান্য অথবা যেকোন কারণে সবসময় চিন্তা করেন। এরকম মানসিক চাপ সব সময় কাজ করলে অল্প বয়সেই চুল পাকে।

৩. ভেজাল যুক্ত খাবার খাওয়াঃ বাসি পঁচা খাবার অথবা মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার খাওয়া চুল পাকার কারণও বটে।

৪. পুষ্টির অভাবঃ নিয়মিত ভিটামিনযুক্ত খাবার না খেলে শরীরে পুষ্টির অভাব ঘটে। এজন্য চুলে গোঁড়ায় পুষ্টির অভাব ঘটে এজন্য চুল পাঁকে।

৫. ইলেকট্রিক ড্রাইয়ারঃ প্রাকৃতিক বাতাসে চুল শুকাতে অনেকেই বিব্রত বোধ করেন, তারা কম সময়ে চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহার করে থাকে। ফলে চুলের শক্তি আস্তে আস্তে কমে গিয়ে পাঁকা আরম্ভ করে। তাই হেয়ার ড্রাইয়ার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

৬. কেমিক্যালঃ চুলের ভাঁজ ও সৌন্দর্য ঠিক রাখার জন্য বিভিন্ন ধরণের কেমিকেল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর গুণমান সঠিক কিনা তা কখনো জানিনা। এর ফলে চুলের ক্ষতি হয় ফলে চুল পড়তে থাকে ও পাঁকা শুরু হয়।

৭. ঘুম কম হওয়াঃ অনেকেই নানা কারণে অকারণে অনেকদেরীতে ঘুমাতে যায়। নিয়মিত পরিমিত ঘুম না হবার কারণে চুল পাঁকে।

৮. জেনেটিক হরমোন সমস্যাঃ জেনেটিক সমস্যার কারণে খুব অল্প বয়সে চুল পাঁকে। আবার বংশগত কারণে উপরোক্ত কারণ ছাড়াই অল্প বয়সে চুল পাকে।

চুল পাঁকার রোধে করণীয় কী?

চুল পাঁকা রোধে করণীয় সমূহঃ চুল পাঁকা রোধের অনেকে অনেক রকম ব্যাখ্যা আপনারা হয়তো জেনে থাকবেন। তবে সেগুলো বিষয়াবলী জানানোর আগে আমার একান্তই কিছু নিয়ম জানাবো। আমি মনে করি এই নিয়মাবলী আপনি যদি যথাযথ ভাবে মানেন তাহলে উপকার পাবেন ইনশাল্লাহ।

প্রথমতঃ আমি লক্ষ্য করেছি, অল্প বয়সে আমাদের বংশে কাদের চুল পেঁকেছে কিন্তু কেনো। তখন লক্ষ্য করেছি বেশির ভাগই বংশগত কারণ। আমাদের বংশের মানুষদের আগেই চুল পাঁকে। আরো লক্ষ্য করেছি, আমাদের অনেকই একটু মাথা ব্যাথা হলেই ছোটদের কাছ থেকে মাথার চুল টেনে নেই, আস্তে আস্তে এটা একসময় অভ্যাস্ত হয়ে যায়। মাথা ব্যাথায় চুল টেনে না নিলে আরাম যেন পাওয়াই যায় না। এ চুল টানার ফলে চুলের গোঁড়া নরম হয়ে যায় অথবা চুলের গোঁড়া নষ্ট হয়ে যায় অথবা চুলের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। ফলে বেশি চুল পাকে। আমি মনে করি আপনার যদি এই অভ্যাস থেকে থাকে এটা আস্তে এড়িয়ে চলুন, এভাবে বন্ধ করুন। তাহলে চুল আর অল্প বয়সে পাকবে না ইনশাল্লাহ।

দ্বিতীয়ত্বঃ যেকোন কারণে হোক মাথা দুএকটা পাঁকা চুল দেখা যায়, তখন এই চুল না তুলে ফেললে যের শান্তি পাওয়া যায় না। এই চুল তুলে ফেলার কারণে অন্য চুল গুলো ব্যাথা প্রাপ্ত হয়। তখন এই চুলের আশে পাশের চুল গুলো পর্যায়ক্রমে পাঁকা শুরু করে। এই ভাবে চলে পাকা চুল তুলে ফেলার অভিযান। এক সময় দেখা যায় পাঁকা চুলের সমারোহ। তাই মনে করি এরকম দু একটা পাকা চুল তুলে অন্য চুলের ক্ষতি না করাই ভাল।

উপরোক্ত আমার নিজের বিষয় গুলো এবং নিজস্ব সমাধান দিলাম। এরপর থাকছে বিশেষাজ্ঞ গণদের সমাধান।

১. নারিকেল তেল গরম করে সপ্তাহে দু তিন চুলে লাগলে চুলে পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়।

২. আমলকি রাতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন, মাথায় মেসেজ করতে হবে, তাহলে চুলে গোঁড়ায় পুষ্টি যোগায়। এতে চুল পাঁকা রোধ করে।

৩. যদি চুল পাঁকা আরম্ভ করে, এরকম পর্যায়ে আপরি হাসনা হেনা ফুল, ডিমের কসুম ও টক দই একসঙ্গে মিশ্রিত করে প্যাক তৈরি করবেন। এরপর ভালভাবে মেসেস করুন। এতে চুলের গোঁড়ায় পুষ্টি হবে এবং সাদা ভাবটা দূর হতে থাকবে।

বন্ধুরা আশা করি, আমাদের টিপসটি আপনাদের ভাল লেগেছে। আপনাদের কেমন লেগেছে তা কমেন্টস করে জানিয়ে দিন। তাহলে আমরা অনেক উৎসাহিত হই। পোস্ট শেয়ার করে আপনাদের বন্ধুদের জানিয়ে দিন। সবার সুস্থতা কামনা করছি।

Read More:

Photo Data Recovery Software Free Download

Thanks,

Study Based

চুল পড়ার আদি কারণ ও প্রতিকার সমূহ

চুল পড়ার আদি কারণ ও প্রতিকার সমূহ

চুল পড়ার আদি কারণ ও প্রতিকার সমূহ

আমাদের সবার পরিচিত এবং কমন রোগ যেটা কমবেশি সবারই দেখা যায় তা হল চুল পড়া। তবে যাদের বয়স ৪০+ হয়ে গেছে, তাদের চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এখন বেশির ভাগই মানুষ দেখা যায় যাদের বয়স ১৮ না হতেই চুল পড়া শুরু হয়ে যায়। তখন এ বয়সের ছেলে মেয়েদের অনেক খারাপ লাগে। ফলে আস্তে আস্তে তারা যে টাক মাথার অধিকারী হচ্ছে এটা অনুধাবন করতে পেরে তারা ছুটে যাচ্ছে ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে অথবা বিভিন্ন কিছু মেখে মেখে রোধ করার চেষ্টা করছেন। আপনার কাছে আমার প্রশ্ন হলো এসব করে কী লাভ হয়েছে বলেন? যদি এসব করে কোন প্রতিকারই হতো তাহলে বিশ্বের অনেক নামীদামী লোকগণ কখনো চুল হারাতেন না। যেমনঃ নরেন্দ্র মোদী, ড্রনাল্ট ট্যাম্প, বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আব্দুল মাল মোহিত ইত্যাদি।

চুল পড়া রোধ অর্থাৎ টাক থেকে সমাধান পেতে আপনাকে খুঁজতে হবে কেন চুল পড়ে এবং কি কি করলে চুল পড়া থেকে রেহাই পাবেন ইত্যাদি। এখানে আমি আগে আমার দেয়া সমাধানের কথা বলব! কেনো আমার মাথার চুল পড়েছে এবং কিভাবে বন্ধ করতে পেরেছি।

আমি প্রথমে যে প্রশ্ন টা নিজেকে করেছি, তা হলো আমার কোন সময়তে বেশি চুল পড়ল ঠিক তার একদিন আগ পর্যন্ত চিন্তা করেছি, আমি কি কি কাজ করেছি, গোসল কোথায় করেছি, কি শ্যাম্পু দিলাম, আগে কোন শ্যাম্পু দিতেছিলাম, কয়দিন পরপর দিতাম, তাছাড়া বৃষ্টিতে মাথা ভিজেছে কিনা ইত্যাদি।

চুল পড়ার কারণ সমূহঃ

যখন আমার মাথা থেকে প্রতিদিন ১০০-১৫০ টি চুল পড়ল, তখন আমি আরো চিন্তিত হয়ে গেলাম। কী করব? ডাক্তার দেখব নাকি? তখন বিশ্বের সেরা মানুষদের কথা মনে পড়ল। তাদের টাকা থাকতেও কেনো তারা টাকলু মাথা। তারপর আমি উপরোক্ত বিষয়াবলী চিন্তা করে বের করলাম যে কোন সময়গুলোতে আমার বেশি চুল পড়ে।

প্রথম কারণঃ যেটা অনুভব করেছি, যখন আমি অধিক পরিশ্রম অথবা অত্যান্ত ঘেমেছি, তখন মাথাও ঘেমেছে। আমরা সবাই জানি, ঘামের সাথে প্রচুর লবণ বের হয়। এজন্য সাথে সাথে মাথা না ধুলে এ ঘামের জন্য চুল পড়ত। এটা বন্ধ করেছি ফলে আমি ভাল ফল পেয়েছি।

দ্বিতীয় কারণঃ আমি দ্বিতীয়ত্ব লক্ষ্য করেছি যখন বৃষ্টিতে ভিজতাম তারপর অনেক চুল ঝরে পড়ত। হয়তো সবার বৃষ্টির পানি সহ্য হয়না তেমনি হয়তো আমারও। তাই সহজে বৃষ্টিতে ভিজিনা। বিশেষ করে মনে রাখবেন মেঘের প্রথম বৃষ্টিতে পানির সাথে এসিড থাকে। তাই কিছুক্ষণ বৃষ্টি হয়ে গেলে আর সমস্যা নাই।

তৃতীয়ত্বঃ মাঝে মাঝে শ্যাম্পু চেন্জ করতাম এবং ঘনঘন ব্যবহার করতাম। এজন্য খেয়াল করেছি আমার চুল বেশি ঝড়ে পড়তেছে। তারপর আমার চুলের সাথে সবচেয়ে বেশি যে শ্যাম্পু ম্যাচ করে সেটাই ব্যবহার করি। কিন্তু মনে রাখবেন, প্রতিদিন শ্যাম্প ব্যবহার করবেন না। এতে করে মাথার ত্বক নষ্ট হবার সম্ভাবনা তো আছেই, তার সাথে চুল বেশি পড়ার কারণ হতে পারে।

যাহোক, প্রিয় পাঠক উপরোক্ত সব গুলো কারণ এবং সমাধান একান্তই আমার নিজের সমস্যা ও সমাধান। তবে আমি আরো কিছু সমস্যার কারণ ও সমাধানের উপায় নিম্নাক্তে তুলে ধরলাম আশা করি মনোযোগের সহিত পাঠ করবেন এবং উপকৃত হইতে পারেন ইনশাল্লাহ।

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ সমূহঃ

প্রিয় বন্ধুগণ, যদি আপনার অল্প বয়সে বেশি চুল পড়তে থাকে তবে এ ধরণের চুল পড়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেশিয়া বলা হয়ে থাকে। এটার লক্ষণ হচ্ছে আপনার কপাল দুপাশের রগের কাছ থেকে।আস্তে আস্তে মাথার সামনের দিকে এরপর ক্রমশ মাথার পিছনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। এভাবে টাক মাথায় পরিণত হয়। তবে অনেকেই ধারণা করে থাকেন যে, বংশগত কারণ, বয়ঃসন্ধিকাল অথবা থাইরয়েড গ্রন্থির শুকানোর জন্য হয়ে থাকে।

কি কি কারণে মাথার চুল পড়ে যায়?

এবার জেনে নিন যে গুলো কারণে আপনার নিয়মিত চুল ঝরে পড়ে। উপরের কারণ সমুহ ছিল আমার নিজের। তাই আমার সাথে আপনার চুল পড়ার কারণ এক মিল থাকতে নাও পারে। তাই নিচের কারণ সমূহ আপনার পড়ে নেওয়া উচিত। কারণ সমূহ হলঃ

১. অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন:- অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন পুরুষের টাকের সবচেয়ে বড় কারণ। সেই সাথে নারীদের চুল পড়ার কারণও বটে। তবে পরীক্ষা করে দেখা গেছে এই হরমোন সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষের শরীরে বেশি পরিমাণে থাকে। যেসব পুরুষের শরীরে এই হরমোনের প্রভাব বেশি থাকে, সেসব নারী ও পুরুষের বেশি করে চুল পড়ে।

২. মাথার ত্বকের সোরিয়াসিস:- মাথায় যদি ছত্রাক সংক্রমণ বা খুশকি হলে চুল বেশি পড়ার অন্যতম কারণ। তবে এটার সমাধানের জন্য আপনি খুশকিনাশক বা ছত্রাকরোধী শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। এতে যদি সঠিক ভাবে উপকৃত না হন তবে তার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে পারেন। সংক্রমণ ভালো হয়ে গেলে তখন আর খুশকি নাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। তবে মাথার ত্বকের সোরিয়াসিস ভাল হলে চুল আবার গজায়।

৩.  পুষ্টির অভাব:- শরীরের যদি পুষ্টির ঘাটতি পড়ে তবে এর ওপরও চুলের স্বাস্থ্য নির্ভর করে। দৈনিক খাবার তালিকায় শর্করা, আমিষ, স্নেহ, চর্বি,  খনিজ ও ভিটামিন পরিমিত পরিমাণে না খেলে চুলের পুষ্টি ঘাটতি দেখা যায় তখন চুল পড়ে যায়। তাছাড়া দেহে দীর্ঘদিন যাবৎ কোনো একটি উপাদানের অভাবে থাকলে চুল পড়ে যায়।

চুল পড়া কমানোর উপায় সমূহঃ আমি মনে করি, উপরোক্ত কারণ সমূহি এর চিকিৎসা করে লাভ নেই। এতে আপনার টাকা নষ্ট হবে মাত্র। তাই আমি যে সমাধান দিয়েছি তা পালন করলে ইনশাল্লাহ ভাল হবে। এই পোস্টটি সম্পর্কে আপনার কোন উপদেশ অথবা কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই মতামত দিবেন।

Thanks,

Study Based

আরো পড়ুনঃ

অল্প বয়সে চুল পাকার কারণ ও প্রতিকার

Samsung Galaxy M20 Price and full Specifications

Samsung Galaxy M20 Price and full Specifications

Samsung Galaxy M20

Samsung Galaxy M20 সিরিজ নতুন জোয়ার এনেছে এশিয়ার এই বাজারে। Samsung গ্যালাক্সি, একটা সময় ছিল স্যামসাংয়ের ভালো স্পিকারের ফোন নিতে গেলে 30 থেকে 40 হাজার টাকা লাগতো। যার কারনে China Market এর কাছে স্যামসাং এর মার্কেট অনেকটাই হারিয়েছে। তাই মার্কেট টাকে শক্ত হাতে ধরে রাখতে তারাও মার্কেটে নেমেছে খুবই ভালো ভাবে। এজন্য তারা বাজারে এনেছে m সিরিজের দুটি ফোন m20 এবং m10. আজকে আমি কথা বলব Samsung Galaxy M20 এর ফিচারগুলো নিয়ে এর আগের ভিডিওটিতে আপনারা Samsung Galaxy M10 এর রিভিউ দেখেছেন। প্রথমে বলবো ফোনটির নেটওয়ার্কের কথা এই ফোনটি 2G, 3G, 4G (LTE) সাপোর্ট করে। আপনি যদি ফোনটি দীর্ঘক্ষন ব্যবহার করতে চান। সে ক্ষেত্রে এটি অনায়াসে মিনিমাম 2 দিন Charging Backup দেবে আর এটিতে ব্যাটারি রয়েছে Lithium-polymer 5000 mAh ব্যাটারি। এ ব্যাটারিকে কে আপনি রিমুভ করতে পারবেন না।

Samsung Galaxy M20 Full Specifications

Name
Samsung Galaxy M20
Model
Galaxy M20
Price
14,990.00 Taka (approx)
Showroom
Click Here

Network Type

Network Configuration
2G, 3G, 4G (LTE) Supported
Speed
HSPA 5.76 fom 42.2
GPRS
Ok
EDGE
Ok

Lanuch

Lanuch publicity
January 2019
Release Date
2019, February
GPRS
Ok
EDGE
Ok

Body Specifications

Body Dimensions
156.4 x 74.5 x 8.8 millimeter
Weight
186 gram
Sim Network
Dual SIM (Nano-SIM and dual stand-by)

Display Specifications

Display
PLS TFT Touchscreen with Sixteen color
Display Size
6.3 inches
Resolution
Full HD+ 1080 x 2340 pixels
Multitouch
Ok
Density
409 ppi

Phone Operating System

Operating System
Android Oreo v8.1
Operating System
Oreo v8.1
CPU
Octa-core
GPU
Mali-G71 MP2
Chipset
14 nm Exynos 7904 Octa

Other Specifications

Fornt Camera
Eight Megapixel, in-display flash, HDR, F/2.0 aperture and 1080p full HD+ video record
Back Camera
Dual Camera, 13 MP and 5 MP
Camera Features
Panorama, HDR and LED Flash
Processor
4x1.8 & 4x1.8 GHz Octa-core Processor
RAM
3/4 GB
ROM
32/64 GB
Wireless LAN
Ok, hotspot, Wi-Fi direct
USB
2.0 MicroUSB, OTG Support
Other Features
Good Face Unlock, FM Radio & Bluetooth, Recording and Loudspeakert

এখন কথা বলব ফোনটির ডিসপ্লে সম্পর্কে, এই ফোনটির 6.3 inches, Full HD+ 1080 x 2340 pixels. যদি আপনি ভালো ক্যামেরার ফোন খুঁজে থাকেন, তাহলে সত্যি বলব স্যামসাং m20. সত্যিই অসাধারণ কারণ ফোনটির ব্যাক ক্যামেরা তে রয়েছে দুইটি ক্যামেরা একটি হল 13 মেগাপিক্সেল অপরটি হলো ফাইভ মেগাপিক্সেল। আর এতে রয়েছে পিডিএফ এলইডি ফ্ল্যাশ এবং সাথে রয়েছে depth sensor.
এই ফোনটির সম্মুখের ক্যামেরা আরো অসাধারণ। আপনি সামনের ক্যামেরা দিয়ে অসাধারণ সেলফি তুলতে পারবেন এবং 1080 পিক্সেল এর ভিডিও করতে পারবেন, এর জন্য সামনে রয়েছে 8 Megapixel এর পিকচার এইচডি ইস্কুলে প্লাস এর ক্যামেরা।

এই ফোনটির বডির ওজন খুবই কম 186 গ্রাম। এটির বডি হলো প্লাস্টিক বডি আর এর আয়তন হলো 156.4 x 74.5 x 8.8 মিলিমিটার। এই ফোনটিতে আপনি 512 জিবি পর্যন্ত dedicated slot মেমোরি ইউজ করতে পারবেন। এটিতে Android Oreo v8.1 অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এই ফোনটি আপনি 3 জিবি র্যামের এবং চার জিবি র্যামের পাবেন। কিন্তু, এতে দামের পার্থক্য রয়েছে। আপনি যদি 3 জিবি র্যামের ফোন কিনেন, তাহলে ইন্ডিয়ান টাকায় 10 হাজার 900 টাকা পড়বে এবং যদি 4 জিবি র্যামের এর ফোন কিনেন। তাহলে, আপনার 12 হাজার 900 টাকা পড়বে। এটি হল ইন্ডিয়ান প্রাইস, আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে 3 জিবি র্যামের ফোন কিনেন, তাহলে পড়বে 15 হাজার 900 টাকা। আপনি যদি 3 জিবি রামের ফোন কিনেন তাহলে আপনার ফোনের র্যাম হবে 32 জিবি। যদি আপনি চার জিবি র্যামের ফোন কিনেন, তাহলে রোম হবে 64 জিবি।

আপনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক ব্যবহার করতে পারবেন, এর জন্য রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। তাছাড়া রয়েছে Proximity, Accelerometer, Fingerprint, Gyroscope, E-Compass Sensors.
এছাড়া আপনি ফোনটিতে OTG ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়া তো ফোনটিতে রয়েছে ওয়াই ফাই হটস্পট এছাড়াও রয়েছে Face Unlock, ব্লু-টুথ, GPS, A-GPS, FM Radio & Recording ইত্যাদি।

পিঠা উৎসব এবং বাংলাদেশের পিঠা

পিঠা উৎসব এবং বাংলাদেশের পিঠা

পিঠা বা কেক কী? বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকার পিঠাঃ

পিঠা বা পিঠে বাংলাদেশের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী লোভ নিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম । পিঠা বা পিঠে তৈরি হয় আটা বা চালের গুঁড়া, ময়দা অথবা অন্য শষ্য জাতীয় দানা বা তার উপাদান দিয়ে যা বাঙ্গালির নিজস্ব আদিম ঐতিহ্য কে বহন করে আসছে। তবে প্রকৃতি ও অঞ্চলভেদে পিঠার বৈচিত্রতা লক্ষ করা যায়। গ্রাম দেশে সাধারণত নতুন ধান কাঁটার পর পিঠা পুলির আয়োজন করা হয়। সব থেকে শীত মৌসুমে বেশি পিঠা তৈরি করা হয়। সাধারণত শীতের সময় অর্থাৎ পৌষ পার্বন পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে পালিত একটি লোক উৎসব। যা পৌষ সংক্রান্তিতে পালন করা হয় এই দিনে রকমারি পিঠা প্রস্তুত করে। পিঠা সাধারনত মিষ্টি স্বাদ যুক্ত হয়ে থাকে তবে- জাতিভেদে টক , ঝাল বা অন্য যে কোন স্বাদ যুক্ত হয়ে থাকে।

পিঠা ও প্রকৃতিঃ

গ্রামের আকাঁবাকা মেঠো পথে খেঁজুরের রস, সাদা কুঁয়াশার ঘোমটা, ভোরের নতুন রবীর হালকা আভা আর সেই সাথে মায়ের হাতে বানানো নতুন ধানের চালের গুঁড়ার তৈরি পিঠা এ যেন সত্যি এক রোমাঞ্চকর দৃশ্য। তবে বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ধরনের পিঠার তারতম্যের কারণে বাংলার ভিন্ন ভিন্ন পিঠা ভিত্তিক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। আর সেই সাথে শীতের আনাগোনায় পিঠের আধিক্য অনেকাংশেই বেড়ে যায়। তাই অনেকেই শীতকে পিঠার মৌসুম ও বলে থাকে।

পিঠাঘর কী?

শহুরে কর্মব্যস্তময় মানুষের পিঠার চাহিদা মেটাতে তৈরি হয়েছে পিঠাঘর। তার কারন শহর অঞ্চলে দিন দিন বেড়েই চলছে পিঠার জনপ্রিয়তা। শহরে ৮০ শতাংশ মানুষই গ্রাম থেকে ভিড় জমিয়েছে কর্মের জন্য শহরে। তাই হালকা কুয়াশার চাদর ও হিমেল হাওয়া দেখলেই পিঠার প্রতি লোভ হয়। তাই এই লোভ কে সংবরণ করতে শহরে বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট থেকে শুরু করে অলিতে গলিতে গরে ওঠে অসংখ্য পিঠার দোকান। কর্ম ব্যস্ততাময় জীবনে নিজ হাতে পিঠা বানানো ভার ভেবেই পিঠা ক্রেতার ভরসা এখন এসব ভ্রামমাণ পিঠা দোকান বা পিঠে ঘরের উপর।

সংস্কৃতি অঙ্গনে পিঠাঃ

বাঙ্গালীর আদী ইতিহাস এবং ঐতিহ্যে পালন করে আসতেছেন প্রাচীনকাল ধরেই, তাই নবান্ন পিঠা-পুলির গুরুত্ব অপরিসীম। এটা বিাঙ্গালীর সংস্কৃতির লোকজ এবং নান্দনিক বহিঃপ্রকাশ। আমরা জানি সাধারণত, শীতকালেই পিঠার সমারোহটা এবং পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায় অনেক বেশি। পিঠা বা কেক বাঙ্গালরি মুখরোচর এবং আদরীণ ও অথিতি আপ্পায়ন খাবার। ফলে এই পিঠার দাওয়াতে আত্মীয় স্বজনের সাথে সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হতে থাকে। বিভিন্ন উপাদান এবং উপায়ে পিঠা তৈরি করা যায়। আমাদের দেশে একশ পঞ্চাশেরও বেশী রকমের পিঠা থাকলেও আমাদের অঞ্চল ভেদে ত্রিশ রকমের পিঠার প্রচলন বেশি আছে। আমাদের দেশে অঞ্চল ভেদে বিভিন্ন ধরণের পিঠা প্রচলন থাকলেও চিতই পিঠা, nokshi pitha, ডিম চিতই পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, তেল পিঠা, ভাঁপা পিঠা, পাতা পিঠা, pithe puli, নকশি পিঠা ইত্যাদি আরো শতরকমের পিঠা।

পিঠা উৎসব কী এবং কেন পালন করা হয়?

আমাদের যান্ত্রিক এই নগর জীবনে ভুলতে বসেছেন বারো মাসের তেরো পার্বণের কথা ।এই বাংলাদেশের সংস্কৃতির অনন্য ঐতিহ্য হচ্ছে পিঠার স্বাদ। এই পিঠার স্বাদ ও কীভাবে তৈরি করতে হয়, তা আস্তে মানুষ ভুলতে শুরু করেছে। কারণ, মানুষ কাজের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েছে। তাই আমাদের গ্রামবাংলার এই চিরন্তন সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে আয়োজন করা হয়ে থাকে ‘জাতীয় পিঠা উৎসব । এ পিঠা উৎসব পালন করার জন্য তৈরি করা হয়েছে জাতীয় পিঠা উৎসব পরিষদ। আর এ উদযাপন পরিষদ এবার আয়োজন করেছিলেন ‘জাতীয় পিঠা উৎসব-১৪২২। এ পিঠা উৎসবে ছিল মোট ৩৩টি স্টল। এসব স্টলে ১৬৮ ধরনের পিঠা ছিল।

প্রিয় ভিজিটর, আমাদের আজকের আর্টিকেলটি কেমন লেগেছে? আপনাদের মনে যদি প্রশ্ন থাকে এ আর্টিকেল সম্পর্কে। তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন। আমাদের ইউটিউব চ্যানেল enzymerony সাবস্ক্রাইব করুন।